আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর কেউ যদি এমন অবস্থায় পড়ে যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে দু'আ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর হয়, ততদিন আমাকে জীবিত রাখো, আর যখন আমার জন্য মৃত্যুই কল্যাণকর হয় তখন আমার মৃত্যু দাও।[৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০, আহমাদ ১১৯৭৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৮)
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যেন বিপদে পড়ার কারণে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা না করে। তবে মৃত্যু তার কামনা হয় তা হলে সে যেন বলে- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার হায়াত আমার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়, তবে আমাকে মৃত্যু দিয়ে দিন।” (ই.ফা. ৬৫৭০, ই.সে. ৬৬২৪)
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি (আরবী) (তার উপর আপতিত বিপদের কারণে) এর স্থলে (আরবী) (যে বিপদ তার উপর পতিত হয়েছে) বলেছেন। (ই.ফা. ৬৫৭১, ই.সে. ৬৬২৫)
নায্র ইবনু আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস তখন জীবিত ছিলেন। তিনি (নায্র) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি না বলতেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কখনো মৃত্যুর আশা করবে না”। তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। (ই.ফা. ৬৫৭২, ই.সে. ৬৬২৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা না করে। বরং সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! যে পর্যন্ত জীবিত থাকা আমার জন্য কল্যাণকর, আমাকে ততক্ষণ জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দিন”।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে... হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসে অনুরূপ। সহীহঃ এর পূর্বেরটি দেখুন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার উপর পতিত বিপদাপদের কারণে মৃত্যু কামনা না করে। অবশ্যই কেউ যদি মৃত্যু কামনা করতেই চায়, তবে সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! যাবৎ জীবিত থাকা আমার জন্যে কল্যাণকর, তাবৎ আমাকে জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যুই আমার জন্যে কল্যাণকর হবে তখন আমাকে মৃত্যুদান করুন”।[৩৫৯৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হারিসা ইবনু মুযাররিব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা খাববাব (রাঃ)-এর নিকট আমি হাযির হলাম। তখন তার পেটে (গরম কিছু দিয়ে) তিনি সেঁক দিচ্ছিলেন। তিনি বললেন, আমি যত বিপদের সম্মুখীন হয়েছি, জানি না, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আর কোন সাহাবী এত বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন কি-না। একটি দিরহামও আমার নিকটে ছিল না (নিঃস্ব ছিলাম) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে। আর এখন চল্লিশহাজার দিরহাম আমার ঘরের কোণে পড়ে আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি আমাদেরকে মৃত্যু কামনা করতে নিষেধ না করতেন তবে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। -সহীহ, আহ্কামুল জানায়িয (৫৯), নাসাঈতে শুধুমাত্র মৃত্যু কামনা নিষেধ বর্ণিত আছে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন কখনো পার্থিব বালা-মুসীবতে নিপতিত হওয়ার কারণে মৃত্যু কামনা না করে, বরং সে যেন বলে (আরবী)- (“হে আল্লাহ! যতদিন আমার জীবিত থাকা মঙ্গলজনক হয়, ততদিন পর্যন্ত আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, আর যখন আমার মৃত্যু মঙ্গলজনক হয় তখন আপনি আমাকে মৃত্যু দিন।”)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সাবধান! তোমাদের কেউ যেন কখনো পার্থিব বালা-মুসীবতের সম্মুখীন হয়ে মৃত্যু কামনা না করে। একান্ত যদি মৃত্যু কামনা করতেই হয় তাহলে যেন বলে (আরবী) (“হে আল্লাহ, আমার জীবিত থাকা যতদিন পর্যন্ত মঙ্গলজনক হয় ততদিন পর্যন্ত আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, আর যখন আমার মৃত্যু মঙ্গলজনক হয়, তখন আপনি আমাকে মৃত্যু দিন।”)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা মৃত্যুর দোয়া করবে না এবং তার কামনাও করবে না। একান্ত কাউকে যদি দোয়া করতেই হয় তাহলে সে যেন বলে, (আরবী) (“হে আল্লাহ! আমার জীবিত থাকা যতদিন পর্যন্ত মঙ্গলজনক হয় ততদিন পর্যন্ত আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, আর যখন আমার মৃত্যু মঙ্গলজনক হয় তখন আমাকে মৃত্যু দিন।”)