‘আব্দুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষের দিকে আমাদের নিয়ে ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। সালাম ফিরানোর পর তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমরা কি এ রাতের সম্পর্কে জান? বর্তমানে যারা পৃথিবীতে রয়েছে, একশ বছরের মাথায় তাদের কেউ আর অবশিষ্ট থাকবে না। (৫৬৪, ৬০১; মুসলিম ৪৪/৫৩, হাঃ ২৫৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১৭)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে একরাতে আমাদের সাথে ইশার সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, এ রাত্র সর্ম্পকে তোমরা কি ধারনা পোষণ করো? কারণ এর একশ বছরের মাথায় যারা আজ পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান রয়েছে তাদের কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, তখন লোকেরা একশ বছর সংশ্লিষ্ট এসব হাদীসের বর্ননায় দ্বিধায পড়ে গেল। অবশ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ”আজ যারা পৃথিবী পৃষ্ঠে বর্তমান আছে তাদের কেউ অবশিষ্ট থাকবে না।” দ্বারা একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, যুগের পরিসমাপ্তি হয়ে যাবে।(ই.ফা. ৬২৪৯, ই.স ৬২৯৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষভাগে এক রাতে আমাদেরকে নিয়ে ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃতোমরা আজকের এ রাতটি দেখতে পাচ্ছো তো? নিশ্চয়ই আজ হতে এক শতাব্দীর মাথায় বর্তমান পৃথিবীতে বসবাসরত কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই বক্তব্যে লোকদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হল ‘একশত বছর’ সংক্রান্ত যেসব হাদীস তারা বর্ণনা করেন তাকে কেন্দ্র করে। বস্তুত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা এখন পৃথিবীতে বেঁচে আছে তাদের কেউ শত বছর পর জীবিত থাকবে না। তিনি এ কথা দ্বারা বুঝাতে চেয়েছেন যে, এ শতাব্দী শেষ হবে (এবং নতুন শতাব্দী শুরু হবে)।