ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদায়েনে ছিলেন। তিনি পানি চাইলেন। তখন এক মহাজন একটি রূপার পাত্রে তার জন্য পানি আনলে তিনি পানি ফেলে দিয়ে বললেন, আমি এটা ফেলতাম না; ফেলেছি কেবল এজন্য যে, তাকে এ পাত্রে পানি পরিবেশন করতে নিষেধ করেছি, কিন্তু তবুও বিরত হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী কাপড় পরতে এবং সোনা-রূপার পাত্রে পান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ ঐগুলো দুনিয়াতে কাফিরদের জন্য এবং আখিরাতে তোমাদের জন্য।
হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনা ও রুপার পাত্রে পান করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা দুনিয়াতে তাদের (কাফিরদের) জন্য এবং তোমাদের জন্য আখেরাতে। [৩৪১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হুযায়ফা (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী বস্ত্র ও সোনার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেনঃ এটা দুনিয়াতে তাদের (কাফেরদের) জন্য এবং আখেরাতে আমাদের জন্য। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
হাকাম (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু আবী মাইলাকে আমি বর্ণনা করতে শুনেছি, হুযাইফা (রাঃ) পানি চাইলেন। একজন লোক তার জন্য রুপার পাত্রে পানি আনলেন। পাত্রটি তিনি ছুড়ে ফেলে দেন এবং বলেন, আমি এটা হতে তাকে বিরত থাকতে বলেছিলাম, কিন্তু সে বিরত থাকতে সম্মত হয়নি। স্বর্ণের অথবা রুপার পাত্রে পান করতে এবং রেশমী পোশাক পরতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ এ সকল জিনিস তাদের (কাফিরদের) জন্য দুনিয়াতে এবং তোমাদের জন্য আখিরাতে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ্ (৩৪১৪), বুখারী ও মুসলিম।