সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->ঈদুল ফিতরের দিবসে সওম করা । হাঃ-১৯৯০

বনূ আযহারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা ঈদে ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দুই দিনে সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর গোশত্ খাও। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ইব্‌নু ‘উয়ায়নাহ (রহঃ) বলেন, যিনি ইব্‌নু আযহারের মাওলা বলে উল্লেখ করেছেন, তিনি ঠিক বর্ণনা করেছেন; আর যিনি ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ)- এর মাওলা বলেছেন, তিনিও ঠিক বর্ণনা করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম হাঃ-২৫৬১

ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ ‘উবায়দ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন ‘উমার ইবনু খাত্ত্বাব (রাঃ)–এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি সালাত আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। ‘ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিল তোমরা কুরবানীর গোশ্‍ত খেয়ে থাক। [৭] (ই. ফা. ২৫৩৮ ই. সে. ২৫৩৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->কুরবানী বাব->ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা হাঃ-৪৯৯২

আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, (পরবতী সময়) আমি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করেছি। তিনি খুতবার আগে আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তারপর লোকজনের উদ্দেশ্যে খুত্‌বাহ্‌ দেন। (খুতবায়) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনদিনের পর কুরবানীর গোশ্‌ত আহার করতে তোমাদের বারণ করেছেন। অতএব তোমরা তা খেয়ো না। (ই.ফা. ৪৯৩৭, ই.সে. ৪৯৪২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->দুই ঈদের দিন সওম পালন হাঃ-২৪১৬

আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) এর সাথে আমি এক ঈদের সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহ্‌র পূর্বে সলাত পড়লেন। অতঃপর বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’’দিন সওম রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা কুরবানীর দিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত খেয়ে থাকো। আর ঈদুল ফিতরের দিন হল তোমাদের সওমের সমাপ্তি।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->ঈদুল ফিতর ও ইদুল আযহার দিন সিয়াম রাখা নিষেধ । হাঃ-১৭২২

আবূ উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে ঈদের দিন উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবাহ্‌র আগে সলাত পড়েন, অতঃপর বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা এ দু’ দিন সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা ঈদুল ফিতরের দিন হচ্ছে তোমাদের সিয়াম ভঙ্গের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন তোমরা তোমাদের কুরবানির গোশত খাবে। [১৭২২]