জুনদাব ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুতবা দেন। অতঃপর যবেহ্ করেন এবং তিনি বলেনঃ সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবেহ্ করতে হবে এবং যে যবেহ্ করেনি, আল্লাহর নামে তার যবেহ্ করা উচিত।
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট হাজির ছিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের আগে যবহ্ করেছে, সে যেন এর স্থলে আবার যবহ্ করে। আর যে ব্যক্তি যবহ্ করেনি, সে যেন যবহ্ করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫১)
জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'র কাছে উপস্থিত ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত পড়লেন। অতঃপর খুতবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত পড়ার আগে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু যবেহ করেছে, সে যেন তদস্থলে আরেকটি পশু যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি (সলাতের আগে) যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৬)
জুন্দাব ইবনু সুফ্ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ঈদুল আয্হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি অন্য কোন কাজ না করে সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে সালাম ফিরলেন। অতঃপর তিনি কুরবানীর গোশ্ত দেখতে পেলেন, যা তাঁর সলাত আদায়ের আগেই যাবাহ করা হয়েছিল। তারপর তিনি বললেন, যে লোক সলাত আদায়ের আগে তার কুরবানীর পশু যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি পশু যাবাহ করে। আর যে ব্যক্তি যাবাহ করেনি সে যেন আল্লাহ্র নাম নিয়ে (বিস্মিল্লা-হ) যাবাহ করে। [১] (ই.ফা. ৪৯০৪, ই.সে. ৪৯০৮)
জুন্দাব ইবনু সুফ্ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ঈদুল আয্হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি মানুষের সাথে সলাত শেষ করে একটি বকরী দেখতে পেলেন, যা সলাতের আগেই যাবাহ করা হয়েছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সলাতের আগে যে লোক যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি বকরী যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি সে যেন এখন আল্লাহ্র নাম নিয়ে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৫, ই.সে. ৪৯০৯)
জুন্দাব বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি ঈদুল আয্হার সলাত আদায় করছিলেন। অতঃপর তিনি খুৎবা দিতে গিয়ে বলেন, যে লোক সলাত সম্পন্ন হওয়ার আগে যাবাহ করেছে সে যেন এর জায়গায় আরেকটি (পশু) যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি, সে যেন এখন আল্লাহ্র নামে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৭, ই.সে. ৪৯১১)
জুনদুব আল-বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আসওয়াদ) তাকে বলতে শুনেছেন, আমি ঈদুল আদহায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। কতক লোক ঈদের সলাতের পূর্বেই কোরবানী করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ঈদের সলাতের পূর্বে কোরবানী করেছে সে যেন পুনর্বার কোরবানী করে। আর যে ব্যক্তি এখনও কোরবানী করেনি সে যেন আল্লাহ নাম নিয়ে যবেহ করে। [৩১৫২]
জুনদুব ইব্ন সুফ্য়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, সালাত শেষে দেখলেন একটি বকরী যবেহ করা হয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ সালাতের পূর্বে কে যবেহ করলো? সে যেন এর পরিবর্তে অন্য একটি বকরী যবেহ করে। আর যে এখনও যবেহ করেনি, সে যেন আল্লাহ্র নামে যবেহ করে।
জুনদুব ইবন সুফয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমরা একদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে কুরবানী করলাম। তখন দেখা গেল, লোক সালাতের পূর্বেই তাদের কুরবানীর পশু যবেহ করে ফেলেছে। তিনি ফিরে এসে দেখলেন তারা সালাতের পূবেই তাদের পশু যবেহ করে ফেলেছে। তখন তিনি বললেন: যারা সালাতের পূর্বে যবেহ করে ফেলেছে, তারা তার পরিবর্তে যেন অন্য একটি যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি আমাদের সালাতের পূর্বে যবেহ করেনি, সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে।