আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মক্কার অদূরে) মার্রায্ যাহারান নামক স্থানে আমরা একটি খরগোশ তারা করলাম। লোকেরা সেটার পিছনে ধাওয়া করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। অবশেষে আমি সেটাকে পেয়ে গেলাম এবং ধরে আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকটে নিয়ে গেলাম। তিনি সেটাকে যব্হ করে তার পাছা অথবা রাবী বলেন, দু’উরু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে পাঠালেন। শু‘বা (রহঃ) বলেন, দু’টি উরুই এতে কোন সন্দেহ নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা গ্রহণ করেছিলেন। রাবী বলেন, আমি শু‘বা (রহঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি খেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, খেয়েছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা গ্রহণ করেছিলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা ‘মাররুয্ যাহরান’-এ একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম। তখন লোকেরাও এর পেছনে ছুটল এবং তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ল। এরপর আমি সেটিকে ধরে ফেললাম এবং আবূ ত্বলহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটিকে যবহ্ করলেন এবং তার পিছনের অংশ কিংবা তিনি বলেছেনঃ দু’ রান নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পাঠিয়ে দিলেন এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা চলতে চলতে ‘মার্রুয যাহ্রান’ নামক স্থানে পৌঁছলে সেখানে একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম। লোকজনও সেটাকে ধাওয়া করলো এবং তারা ক্লান্ত হয়ে পড়লো। তিনি বলেন, অবশেষে আমি ধাওয়া করে ওটা ধরে ফেলি এবং আবূ তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি এটাকে যাবাহ করলেন এবং পেছনের অংশ ও উভয় রান রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে পাঠালেন। আমি এগুলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এলে তিনি তা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ৪৮৯১, ই.সে. ৪৮৯২)
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা “মারজা-জাহরান (ওয়াদী ফাতিমাহ)” এলাকা অতিক্রমকালে একটি খরগোশকে উত্তেজিত করে বের করলাম। লোকেরা তার পিছু ধাওয়া করে ক্লান্ত হয়ে পড়লো। অতঃপর আমি তার পিছু ধাওয়া করে তা ধরে ফেললাম এবং তা নিয়ে আবূ তালহা (রাঃ)-র নিকট আসলাম। তিনি তা যবেহ করলেন। অতঃপর তার নিতম্ব ও উরুর গোশত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করলেন। [৩২৪৩]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাররুয-যাহরান নামক স্থানে আমি একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম এবং ধরে ফেললাম। আবূ তাল্হা (রাঃ)-এর নিকট আমি তা নিয়ে গেলে তিনি তা যবেহ করলেন এবং তার উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন, তিনি তা গ্রহন করলেন।