সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ ও দুর্গন্ধযুক্ত মসলা বা তরকারী । হাঃ-৮৫৩

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধের সময় বলেন, যে ব্যক্তি এই জাতীয় বৃক্ষ হতে অর্থাৎ কাঁচা রসুন খায় সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদে না আসে।


সহিহ মুসলিম অঃ->তাহারাত (পবিত্রতা) বাব->রক্ত অপবিত্র এবং তা ধোয়ার পদ্ধতি হাঃ-৫৬৩

আবূ কুরায়ব (রহঃ) ও আবূ তাহির (রহঃ)-এর সকলেই হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু সা‘ঈদের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৬৭, ই.সে. ৫৮৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->রসুন, পিঁয়াজ, মুলা অথবা এ জাতীয় (দুর্গন্ধযুক্ত) দ্রব্য আহার করে (মাসজিদে প্রবেশ) নিষিদ্ধ হাঃ-১১৩৯

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিঁয়াজ ও গোরসুন [১] খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু কোন এক সময় প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে তা খেলে তিনি বললেনঃ কেউ এসব দুর্গন্ধযুক্ত গাছ (উদ্ভিদ) খেলে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায় মালাকগণও (ফেরেশ্‌তামণ্ডলী) সেসব জিনিসে কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩২, ই.সে. ১১৪১)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->রসুন, পিঁয়াজ, মুলা অথবা এ জাতীয় (দুর্গন্ধযুক্ত) দ্রব্য আহার করে (মাসজিদে প্রবেশ) নিষিদ্ধ হাঃ-১১৪১

জাবির ইবনু ‘আবুদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- কোন কোন সময় আবার তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিঁয়াজ, রসুন বা মুলা খাবে সে যেন আমার মাসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় মালাকগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩৪, ই.সে. ১১৪৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->খাদ্যদ্রব্য বাব->রসুন খাওয়া সম্পর্কে হাঃ-৩৮২৪

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি ক্বিবলাহ্‌র দিকে থুথু ফেলে, ক্বিয়ামাতের দিন সে ঐ থুথু নিজের দু’চোখের মধ্যখানে পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে। যে ব্যক্তি এ খারাপ তরকারী (পিয়াজ) খাবে সে যেন আমাদের মাসজিদে না আসে। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন।