‘আবিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কুরবানীর গোশ্ত তিন দিনের অধিক সময় খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেনঃ সেই বছরেই কেবল নিষেধ করেছিলেন, যে বছর মানুষ অনাহারের কবলে পড়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেন ধনীরা গরীবদের খাওয়ায়। আমরা তো বকরীর পায়াগুলো তুলে রাখতাম এবং পনের দিন পর তা খেতাম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলঃ কিসে আপনাদের এগুলো খেতে বাধ্য করত? তিনি হেসে বললেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত তাঁর পরিবার পরিজন এক নাগাড়ে তিনদিন তরকারীসহ গমের রুটি পেট ভরে খাননি। অন্য সনদে ইবনু কাসীর বলেছেন, সুফিয়ান (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবিস সূত্রে উক্ত হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৬)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। [৭৩] ইব্নু কাসীর (রহঃ) আবিস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) কে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)