সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বর্ণনা। হাঃ-৩৫৬৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো কোন খাদ্যকে মন্দ বলতেন না। ‎রুচি হলে খেতেন না হলে বাদ দিতেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->খাবারের দোষ-ত্রুটি প্রসঙ্গে হাঃ-৫২৭৫

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সময় কোন খাদ্যকে মন্দ বলেননি। কোন খাদ্য প্রিয় হলে খেয়েছেন আর পছন্দ না হলে ছেড়ে দিয়েছেন। [১৪] (ই.ফা. ৫২০৭, ই.সে. ৫২১৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->খাদ্যদ্রব্য বাব->খাদ্যদ্রব্যের সমালোচনা করা অপছন্দনীয় হাঃ-৩৭৬৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও খাদ্যের দোষ বর্ণনা করতেন না। রুচি হলে তিনি খেতেন, আর রুচি না হলে বাদ দিতেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->আহার ও তার শিষ্টাচার বাব->খাদ্যে দোষারোপ করা নিষেধ হাঃ-৩২৫৯

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও খাদ্যসামগ্রীর ত্রুটি ধরতেন না। পছন্দ হলে তিনি আহার করতেন, অন্যথায় রেখে দিতেন। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/৩২৫৯ (১). আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। [৩২৫৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সদ্ব্যবহার ও পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখা বাব->নিয়ামাতের মধ্যে ত্রুটি সন্ধান করা অনুচিত হাঃ-২০৩১

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন খাদ্যের উপর কখনো দোষারোপ করতেন না। রুচি হলে খেতেন আর না হয় পরিত্যাগ করতেন। সহীহ, বুখারী, মুসলিম।