সহিহ বুখারী অঃ->ওজু বাব->বকরীর গোশত ও ছাতু খেয়ে উযূ না করা। হাঃ-২০৮

উমাইয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি বকরীর কাঁধের গোশ্‌ত কেটে খেতে দেখলেন। এ সময় সালাতের জন্য আহ্বান হল। তিনি ছুরিটি ফেলে দিলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু উযূ করলেন না। (৬৭৫, ২৯২৩, ৫৪০৮, ৫৪২২, ৫৪৬২; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৫, আহমাদ ১৭২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২০৮)


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ছুরি সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে। হাঃ-২৯২৩

‘আম্‌র ইব্‌নু উমায়্যাহ যামরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (বকরির) হাত কেটে কেটে খেতে দেখেছি। অতঃপর তাঁকে সালাতের জন্য ডাকা হলে তিনি সালাত আদায় করলেন; কিন্তু তিনি উযূ করলেন না। আবুল ইয়ামান (রহঃ) শুয়াইব সূত্রে যুহরী (রহঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছুরি রেখে দিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আহার সংক্রান্ত বাব->ভুনা বক্‌রী এবং স্কন্ধ ও পার্শ্বদেশ হাঃ-৫৪২২

‘আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ যামরী (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বকরীর ঘাড় থেকে গোশ্‌ত কাটতে দেখেছি। তিনি তা থেকে আহার করলেন। তারপর যখন সলাতের দিকে আহ্বান করা হল, তখন তিনি উঠলেন এবং চাকুটি রেখে দিয়ে সলাত আদায় করলেন। অথচ তিনি (নতুন করে) অযূ করেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৫)


সহিহ বুখারী অঃ->আহার সংক্রান্ত বাব->রাতের খাবার পরিবেশন করা হলে তা রেখে অন্য কাজে জলদি করবে না। হাঃ-৫৪৬২

‘আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে নিজ হাতে বকরীর স্কন্ধ থেকে কেটে খেতে দেখেছেন। তারপর সলাতের প্রতি আহ্বান করা হলে তিনি তা রেখে দিলেন এবং ছুরিটিও (রেখে দিলেন) যা দিয়ে তিনি কেটে খাচ্ছিলেন। তারপর উঠলেন এবং সলাত আদায় করলেন। তিনি (নতুন) অযূ করলেন না।আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৫৪)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->আহার ও খাদ্যদ্রব্য বাব->গোশত ছুরি দিয়ে কেটে কেটে খাওয়ার সম্মতি প্রসঙ্গে হাঃ-১৮৩৬

জাফর ইবনু আমর ইবনু উমাইয়া আয-যাম্রী (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি (আমর ইবনু উমাইয়া) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ছুরি দিয়ে একটি ছাগলের কাঁধের (রান্না করা) গোশত কাটতে এবং তা খেতে দেখেছেন। তারপর তিনি নামায আদায়ের জন্য চলে গেলেন কিন্তু (নতুন করে) ওযূ করেননি। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (৪৯০), নাসাঈ।