ইব্ন ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় ত্বলাক্ব দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী এর কাছে ব্যক্ত করলেন। তখন তিনি বললেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে আনে। রাবী (ইব্ন সীরীন) বলেন, আমি বললাম, ত্বলাক্বটি কি গণ্য করা হবে? তিনি (ইবনে ‘উমার) বললেন, তাহলে কী? ক্বাতাদাহ (রহঃ) ইউনুস ইব্ন যুবায়র (রহঃ) থেকে, তিনি ইব্ন ‘উমার থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাকে হুকুম দাও সে যেন তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে। আমি (ইউনুস) বললামঃ ত্বলাক্বটি কি পরিগণিত হবে? তিনি (ইবন ‘উমার) বললেনঃ তুমি কি মনে কর যদি সে অক্ষম হয় এবং আহম্মকী করে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৬৩)
য়ূনুস থেকে বর্নিতঃ
আমি ইবনু উমার (রাঃ) কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে তার স্ত্রীকে তার হায়িদ অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তিনি বলেন, তুমি আবদুল্লাহ বিন উমারকে চিন? সে তার স্ত্রীকে তার মাসিক ঋতু চলাকালে তালাক দিয়েছিল। উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আসলে তিনি তাকে নির্দেশ দেনঃ সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি তালাক হিসেবে গণনায় ধরা হবে? তিনি বলেন, তুমি কি মনে কর, সে যদি অক্ষম হয়ে থাকে, আর আহম্মকী করে (তাহলে কে দায়ী?)! [২০২২]
ইউনুস ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলাম, এক লোক তার স্ত্রীকে হায়িয থাকাবস্থায় তালাক দিয়েছে। তিনি বললেন, তুমি কি আবদুল্লাহ ইবনু উমারকে চেন? সে তার স্ত্রীকে হায়িয থাকাবস্থায় তালাক দিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উমার (রাঃ) (এর বিধান প্রসঙ্গে) প্রশ্ন করেন। তিনি তাকে নিজ স্ত্রীকে ফেরত নিতে হুকুম দিলেন। বর্ণনাকারী উমার (রাঃ) বলেন, আমি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে) প্রশ্ন করলাম, এ তালাকও কি গণনা করা হবে? তিনি বললেনঃ কেন হবে না! তুমি কি মনে কর, যদি কোন লোক অপারগ হয় বা আহম্মকি করে (তাতে কি তালাক কার্যকর হবে না)। সহীহ্, ইবনু মাজাহ- (২০২২), বুখারী, মুসলিম
ইঊনুস ইব্ন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্ন উমর(রাঃ)- কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তখন তিনি বলেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে চিন? সে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন উমর (রাঃ) নবী(সাঃ) এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে আদেশ করলেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে এবং এরপর তার ইদ্দতের (সুষ্ঠু ব্যবস্থার) অপেক্ষা করবে। তখন তাকে আমি বললামঃ এই তালাকের জন্য কি ইদ্দত পালন করবে? তিনি বললেনঃ তবে আর কী? সে যদি অক্ষমতা এবং মূর্খতার পরিচয় দেয়, তাহলে তুমি বল তো (কি সে তালাক গণ্য হবে না) ?