সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাকাহ (পানি সেচের বিনিময়ে ফসলের একটি অংশ প্রদান) বাব->হালাল গ্রহণ ও সন্দেহজনক বস্তু পরিত্যাগ করা হাঃ-৩৯৮৬

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি শুনেছিঃ অর্থাৎ- বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, রাবী বলেনঃ (এ সময় নু’মান তাঁর আঙ্গুল দ’টি দ্বারা কানের দিকে ইশারা করেন, নিশ্চয়ই হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট, আর এ উভয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয়, অনেক লোকই সেগুলো জানে না। যে ব্যাক্তি এসব সন্দেহজনক বিষয় থেক দূরে থাকে সে তার দ্বীন ও মর্যাদাকে নিরাপদের রাখে, আর যে লোক সন্দেহজনক বিষয়ে পতিত হবে সে হারামের মধ্যে লিপ্ত হয়ে পড়বে। যেমন কোন রাখাল সংরক্ষিত চারণভূমির পাশে পশু চরায়, আশংকা রয়েছে সে পশু তার ভেতরে গিয়ে ঘাস খাবে। সাবধান! প্রত্যেক রাজারই সংরক্ষিত এলাকা থাকে, সাবধান! আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর হারামকৃত বিষয়গুলো। জেনে রেখো, দেহের মধ্যে এক টুকরা গোশ্‌ত আছে। যখন তা সুস্থ থাকে তখন সমস্ত দেহই সুস্থ থকে। আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায় তখন সমস্ত দেহই নষ্ট হয়ে যায়। স্মরণ রেখো, তা হলো ‘কাল্‌ব’ হৃদয়। (ই. ফা. ৩৯৪৯, ই. সে. ৩৯৪৮)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কলহ-বিপর্যয় বাব->সন্দেহজনক বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকা হাঃ-৩৯৮৪

নু'মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(শা'বী) বলেন, আমি নু'মান বিন বশীর (রাঃ) কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে তার হাতের দু' আঙ্গুলে দু' কানের দিকে ইশারা করে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: হালালও সুস্পষ্ট, হারামও সুস্পষ্ট, এতদুভয়ের মাঝখানে কতক সন্দেহজনক বিষয় আছে, যে সম্পর্কে অধিকাংশ লোক অজ্ঞাত। যে ব্যেক্তি সন্দেহজনক বিষয় সমূহ থেকে বিরত থাকলো, সে তাঁর দ্বীন ও সম্ভ্রমকে পবিত্র রাখলো। আর যে ব্যেক্তি সন্দেহজনক বিষয়সমূহে জড়িয়ে পড়লো সে হারাম বিষয়ের মধ্যে পতিত হলো। যেমন কোন রাখাল রাষ্ট্রের সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে তার পশুপাল চড়ালে সেগুলো তাতে ঢুকে পড়ার আশংকা থাকে। জেনে রাখো, প্রত্যেক শাসকের একটি সংরক্ষিত চারণ ভূমি থাকে। জেনে রাখো, আল্লাহর চারণভূমি হচ্ছে তার হারামকৃত বিষয়সমূহ। জেনে রাখো! দেহের মধ্যে একখন্ড মাংসপিন্ড আছে। যখন তা সুস্থ থাকে তখন সারা দেহও সুস্থ থাকে। যখন তা নষ্ট হয় তখন সারা দেহই নষ্ট হয়ে যায়, জেনে রাখো! সেটাই হচ্ছে কলব (অন্তর) [৩৩১৬]