ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শিকার করা জন্তুর গোশত উপঢৌকন দেয়া হয়েছিল। সেটা যে হারাম এ কথা আপনি আমাকে কিভাবে অবহিত করেছিলেন? রাবী (ত্বাউস) বলেন, তিনি বললেন, তাঁকে শিকারকৃত জন্তুর একটি অঙ্গ হাদিয়্যাহ্ দেয়া হয়েছিল, তিনি তা ফেরত দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, আমরা এ গোশত খেতে পারি না, কারণ আমরা ইহরাম অবস্থায় আছি। (ই.ফা. ২৭১৭ , ই.সে. ২৭১৬ )
সা‘ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আম্র ইবনু নুফায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি আমার (ইন্তিকালের) পরে মানুষদের মধ্যে পুরুষদের জন্য নারীদের তুলনায় অধিকতর ক্ষতিকর কোন ফিতনাহ্ ছেড়ে যাইনি। (ই.ফা. ৬৬৯৫, ই.সে. ৬৭৪৯)
উসামাহ বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার পরে পুরুষদের জন্য নারীদের চেয়ে অধিক বিপর্যয়কর আর কিছু রেখে যাবো না। [৩৩৩০]
উসামাহ্ ইবনু যাইদ ও সা'ঈদ ইবনু 'আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে ( মানুষের মাঝে) পুরুষের জন্য স্ত্রীলোকের ফিতনার চাইতে মারাত্নক ক্ষতিকর ফিতনা রেখে যাচ্ছি না। সহীহ : সহীহাহ্ ( ২৭০১), বুখারি ও মুসলিম। আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। উক্ত হাদীস সুলাইমান আত-তাইমী হতে, তিনি আবূ 'উসমান হতে, তিনি উসামা ইবনু যাইদ( রা:) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রে একাধিক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তারা এই সনদসূত্রে সা'ঈদ ইবনু 'আমর ইবনু নুফাইলের উল্লেখ করেননি। আল-মু'তামির ব্যতীত অন্য কোন বর্ণনাকারী উপরোক্ত সনদে উসামা ইবনু যাইদ ও সা'ঈদ ইবনু যাইদ (রাঃ)-এর উল্লেখ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবূ সা'ঈদ ( রা:) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আবী 'উমার সুফইয়ান হতে, তিনি সুলাইমান আত-তাইমী হতে, তিনি আবূ 'উসমান হতে, তিনি উসামা ইবনু যাইদ হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।