সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->কোরআন মুখস্ত করে ভুলে যাওয়া এবং কেউ কি বলতে পারে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি? হাঃ-৫০৩৭

'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে মাসজিদে নাববীতে কুরআন পড়তে শুনলেন। তিনি বললেন, তার প্রতি আল্লাহ্‌র রহমাত বর্ষিত হোক, সে আমাকে অমুক সূরার অমুক আয়াত মনে করিয়ে দিয়েছে। (আ.প্র. ৪৬৬৩, ই.ফা. ৪৬৬৭) ---------------------- হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিত পূর্বের হাদীসের অতিরিক্ত রয়েছে, “যা ভুলে গেছি অমুক অমুক সূরা থেকে।” ‘আলী এবং ‘আবদাহ হিশাম থেকে তার সমর্থন ব্যক্ত করেন। (আ.প্র. ৪৬৬৪, ই.ফা. ৪৬৬৮)


সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->যারা সূরা বাকারাহ বা অমুক অমুক সূরা বলাতে দোষ মনে করেন না। হাঃ-৫০৪২

'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কারীকে রাতে মাসজিদে কুরআন মাজীদ পড়তে শুনলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ তার প্রতি করুণা করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত মনে করিয়ে দিয়েছে, যা অমুক অমুক সূরা থেকে ভুলতে বসেছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৩)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ তুমি দু'আ করবে...... (সূরা আত্‌ তাওবাহ ৯/১০৩) আর যিনি নিজেকে বাদ দিয়ে কেবল নিজের ভাই-এর জন্য দু'আ করেন হাঃ-৬৩৩৫

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক লোককে মাসজিদে কুরআন তিলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর দয়া করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত মনে করিয়ে দিয়েছে, যা আমি অমুক অমুক সূরা থেকে ভুলে গিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে হাঃ-১৭২২

'আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের বেলা জনৈক ব্যক্তিকে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করতে শুনে বললেনঃ আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। সে আমাকে অমুক অমুক সূরার অমুক অমুক আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি অমুক সূরাহ্ থেকে বাদ দেয়ার উপক্রম করেছিলাম। (ই.ফা. ১৭০৭, ই.সে. ১৭১৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে হাঃ-১৭২৩

'আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে জনৈক ব্যক্তির কুরআন তিলাওয়াত শুনেছিলেন। (তাঁর তিলাওয়াত শুনে) তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। সে আমাকে এমন একটি আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমার স্মৃতি থেকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল। (ই.ফা. ১৭০৮, ই.সে. ১৭১৫)