সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে হাঃ-১৭২৬

'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ এভাবে বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি তাহলে তা তার জন্য খুবই খারাপ। বরং তাকে তো ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। তোমরা কুরআনকে স্মরণ রাখ। কারণ কুরআন মানুষের হৃদয় থেকে পা বাঁধা পলায়নপর চতুষ্পদ জন্তুর চেয়েও অধিক পলায়নপর। ছাড়া পেলেই পালিয়ে যায় অর্থাৎ স্মরণ রাখার চেষ্টা না করলেই ভুলে যায়। (ই.ফা. ১৭১১, ই.সে. ১৭১৮)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ক্বিরাআত বাব->(কুরআন উটের চেয়েও দ্রুত পলায়নপর) হাঃ-২৯৪২

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাদের বা তোমাদের কারো এরূপ কথা বলা কতই না আপত্তিকরঃ “আমি কুরআনের অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি’। (বরং তার বলা উচিত যে,) তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। তোমরা স্মরণ রাখার জন্য অনবরত কুরআন পাঠ করবে। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! উট যেভাবে রশি হতে ছাড়া পেয়ে পালায়, এটা (কুরআন) মানুষের হৃদয় হতে তার চাইতেও বেশি পলায়নপর। সহীহঃ আয্‌যিলা-ল (৪২২), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->কুরআন সম্বন্ধীয় বিবিধ রেওয়ায়ত হাঃ-৯৪৩

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, কত মন্দ পরিণতি ঐ ব্যক্তির জন্য, যে বলে আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি। বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। কুরআন স্মরণ রেখ। কেননা তা মানুষের অন্তর থেকে চতুষ্পদ জন্তুর তার রশি থেকে পালাবার চেয়েও তাড়াতাড়ি অন্তর্হিত হয়ে পড়ে।