সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->যার জন্য কুরআন যথেষ্ট নয়। হাঃ-৫০২৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। রাবী বলেন, এর অর্থ সুস্পষ্ট করে আওয়াজের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। [৫০২৩, ৫০২৪, ৭৪৮২, ৭৫৪৪; মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯২, আহমাদ ৭৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৩)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণী : হাঃ-৭৪৮২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নাবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন,يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ -এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৪)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণী: কুরআন সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি জান্নাতে সন্মানিত পূত-পবিত্র কাতিব ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। অতএব, তোমাদের (সুললিত) কন্ঠ দ্বারা কুরআনকে সৌন্দর্যমন্ডিত কর। হাঃ-৭৫৪৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন। তিনি বলেছেন: আল্লাহ্ উচ্চৈঃস্বরে সুমধুর কন্ঠে কুরআন তিলাওয়াতকারী নবীর প্রতি যত সন্তোষ প্রকাশ করেন, অন্য কোন কিছুর প্রতি তত সন্তোষ প্রকাশ করেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০৩৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব হাঃ-১৭৩০

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত এর সানাদ সূত্রটি পৌছিয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নবীর উত্তম ও মিষ্টি করে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনে থাকেন অন্য কোন জিনিস সেভাবে শুনেন না। (ই.ফা.১৭১৫, ই.সে. ১৭২২)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব হাঃ-১৭৩১

হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ইউনুস ইবনু ‘আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... উভয়ে ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে একই সানাদ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যেমন তিনি (আল্লাহ) শুনে থাকেন সুস্পষ্ট স্বরে কুরআন তিলাওয়াতকারী নবীর তিলাওয়াত। (ই.ফা. ১৭১৬, ই.সে. ১৭২৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব হাঃ-১৭৩২

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মহান আল্লাহ এতটা খুশি হন না যতটা খুশি হয়ে থাকেন সুকণ্ঠের অধিকারী কোন নবীর প্রতি যিনি সুললিত কণ্ঠে ও সশব্দে তা তিলাওয়াত করে থাকেন। [৩৬] (ই.ফা. ১৭১৭, ই.সে। ১৭২৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব হাঃ-১৭৩৪

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নবী কর্তৃক সুমিষ্ট কণ্ঠে উচ্চঃস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনেন অন্য কিছুই আর সেভাবে শুনেন না। (ই.ফা. ১৭১৯, ই.সে. ১৭২৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->তারতীলের সাথে কুরআন তিলাওয়াত পছন্দনীয় হাঃ-১৪৭৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ অন্য কিছু এতো মনোযোগ দিয়ে শুনেন না, যেভাবে তিনি নাবীর সুমধুর কন্ঠে স্পষ্ট উচ্চারণে কুরআন পাঠ শুনেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সুললিত কন্ঠে কুরআন পাঠ করা হাঃ-১০১৭

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আল্লাহ তা’য়ালা কোন জিনিসকে (এমন মহব্বত ও গুরুত্বের সাথে) শোনেন না যেমন তিনি কুরআন শোনেন ঐ নবীর মুখে যিনি সুললিত কন্ঠের অধিকারী ও সুললিত কন্ঠে উচ্চঃস্বরে আল্লাহর কালাম পাঠ করেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সুললিত কন্ঠে কুরআন পাঠ করা হাঃ-১০১৮

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আল্লাহ তা’য়ালা কোন জিনিসকে ঐরূপ শোনেন না যেরূপ তিনি কুরআন শোনেন, সুললিত কন্ঠের অধিকারী নবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখে যিনি সুললিত কন্ঠে কুরআন পাঠ করেন।