সহিহ বুখারী অঃ->ই’তিকাফ বাব->রমযানের মধ্যম দশকে ই‘তিকাফ করা। হাঃ-২০৪৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমযানে দশ দিনের ই‘তিকাফ করতেন। যে বছর তিনি ইন্তিকাল করেন সে বছর তিনি বিশ দিনের ইতিকাফ করেছিলেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->ই‘তিকাফ কোথায় করবে? হাঃ-২৪৬৬

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমাযানে দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন সে বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেছেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->ই‘তিকাফ কোথায় করবে? হাঃ-২৪৬৬

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমাযানে দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন সে বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেছেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->ই‘তিকাফ কোথায় করবে? হাঃ-২৪৬৬

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রমাযানে দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন সে বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেছেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->ই‘তিকাফ সম্পর্কে। হাঃ-১৭৬৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি বছর দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। তবে তিনি ইনতিকালের বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেন। প্রতি বছর (রমজান মাসে) তাঁর কাছে একবার কুরআন পাশ করা হতো। তবে তাঁর ইনতিকালের বছর তাঁর কাছে তা দু’বার পেশ করা হয়। [১৭৬৯]