সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ সে তো পরবর্তী কঠিন আযাব সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী মাত্র। (সূরাহ সাবা ৩৪/৪৬) হাঃ-৪৮০১

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন সাফা পাহাড়ে আরোহণ করে ‘ইয়া সাবাহাহ’ বলে সবাইকে ডাক দিলেন। কুরাইশগণ তাঁর কাছে জমায়েত হয়ে বলল, তোমার ব্যাপার কী? তিনি বললেন, তোমরা বল তো, আমি যদি তোমাদের বলি যে, শত্র“বাহিনী সকাল বা সন্ধ্যায় তোমাদের উপর আক্রমণ করতে প্রস্তুত, তবে কি তোমরা আমার এ কথা বিশ্বাস করবে? তারা বলল, নিশ্চয়ই। তিনি বললেন, আমি তোমাদের জন্য এক আসন্ন কঠিন শাস্তি সম্পর্কে ভয় প্রদর্শন করছি। এ কথা শুনে আবূ লাহাব বলল, তোমার ধ্বংস হোক। এই জন্যই কি আমাদেরকে জমায়েত করেছিলে? তখন আল্লাহ্ নাযিল করেন ঃ تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ “আবূ লাহাবের হাত দু’টো ধ্বংস হোক।” [১৩৯৪] (আ.প্র. ৪৪৩৭, ই.ফা. ৪৪৩৮)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা লাহাব হাঃ-৩৩৬৩

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সাফা পাহাড়ের উপর উঠে “ইয়া সাবাহা” (হে ভোরের বিপদ) বলে উচ্চকণ্ঠে ডাকলেন। ফলে কুরাইশ গোত্রের লোকেরা তাঁর নিকট একত্রিত হয়। তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে আমি এক কঠিন শাস্তির ভয় দেখাচ্ছি। তোমাদের কি মত, যদি আমি তোমাদেরকে বলি যে, সকাল বা সন্ধ্যায় শত্রু বাহিনী তোমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য আসছে, তাহলে আমাকে কি তোমরা বিশ্বাস করবে? সে সময় আবূ লাহাব বলল, তোমার ধ্বংস হোক! এজন্য কি তুমি আমাদেরকে একত্রিত করেছ? সে সময় আল্লাহ তা‘আলা “তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাব” সূরা অবতীর্ণ করেন। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৭১, ৪৯৭২), মুসলিম (হাঃ ১/১৩৪)।