সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করে স্ত্রীকে ‘হারাম’ সাব্যস্ত করলে তার উপর কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব হবে হাঃ-৩৫৬৮

সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে (লিখিতরূপে) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সা’ঈদ) বলেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) স্ত্রীকে নিজের জন্য হারাম করা সম্বন্ধে বলতেন যে, তা কসম (ইয়ামীন) সাব্যস্ত হবে, তার কাফ্ফারাহ্ আদায় করবে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) (এ প্রসঙ্গে) আরো বলেছেন, (পবিত্র কুরআনের) (আরবী) (আয়াত উদ্ধৃত করে) “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। “ (সূরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:২১) (ই.ফা. ৩৫৪০, ই.সে. ৩৫৩৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করে স্ত্রীকে ‘হারাম’ সাব্যস্ত করলে তার উপর কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব হবে হাঃ-৩৫৬৯

সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে নিজের জন্য হারাম (ঘোষণা) করলে তা কসম সাব্যস্ত হবে, তার কাফ্ফারাহ্ আদায় করবে। তিনি আরো বলেছেন, তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ই.ফা. ৩৫৪১, ই.সে. ৩৫৪০)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->তালাক বাব->কোন বৈধ বিষয় হারাম করা সম্পর্কে। হাঃ-২০৭৩

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হালাল বস্তু (নিজের উপর) হারাম করা শপথরূপে গণ্য হবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলতেনঃ “তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে অনুসরণীয় আদর্শ “(সূরা আহযাবঃ ২১)। [২০৭৩]