উবাদাহ ইব্নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এক মজলিসে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছে এ বায়’আত কর যে, আল্লাহ্র সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না এবং ব্যভিচার করবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পুরো তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বায়’আতের শর্তসমূহ) পুরো করে তার বিনিময় আল্লাহ্র কাছে। আর যে ব্যক্তি এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর তার জন্য শাস্তি দেয়া হয়, তবে এটা তার জন্য কাফ্ফারা হয়ে যায়। আর যদি কেউ এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর আল্লাহ্ তা গোপন রাখেন তবে এটা তাঁর ইচ্ছাধীন। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করবেন, ইচ্ছে করলে শাস্তি দিবেন।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৭)
উবাদা ইবনে সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা এক মজলিসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তিনি বলেনঃ তোমরা এই কথার উপর আমার নিকট বায়‘আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, ব্যভিচার করবে না, চুরি করবে না, এরপর তিনি পূর্ণ আয়াত পড়ে শোনান। পরে তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার বায়‘আত পূর্ণ করবে, তার বিনিময় আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট রয়েছে, আর যে ব্যক্তি ঐ সকলের মধ্যে কোন একটা করবে, তারপর যদি আল্লাহ্ তার এই কাজকে গোপন রাখেন, তবে তা আল্লাহ্র উপর নির্ভর করে, তিনি ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন, আর ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন।
উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নিকট একথার উপর বায়আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না। তিনি তাদের সামনে এতদসংক্রান্ত পূর্ণ আয়াতটি [১] তিলাওয়াত করলেনঃ তারপর বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এটা রক্ষা করবে, আল্লাহ্র নিকট তার প্রতিদান রয়েছে। আর যদি কেউ এর কোনও একটি অপরাধ করে ফেলে, আর আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীতে তা ঢেকে রাখেন, তবে আখিরাতে তা আল্লাহ্র ইচ্ছা উপর নির্ভরশীল। তিনি ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।