আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানী তামীম গোত্র থেকে একটি অশ্বারোহী দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসল। আবূ বাকর (রাঃ) প্রস্তাব দিলেন, কা'কা ইবনু মা'বাদ ইবনু যারারা (রাঃ)-কে এদের আমীর নিযুক্ত করে দিন। 'উমার (রাঃ) বললেন, বরং আকরা ইবনু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর বানিয়ে দিন। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমার বিরোধিতা করাই তোমার উদ্দেশ্য। 'উমার (রাঃ) বললেন, আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছা আমি কখনো করি না। এর উপর দু'জনের বাক-বিতণ্ডা চলতে চলতে শেষ পর্যায়ে উভয়ের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। ফলে এ সম্পর্কে এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “হে মুমিনগণ! আল্লাহ এবং তার রসূলের সামনে তোমরা কোন ব্যাপারে অগ্রবর্তী হয়ো না। বরং আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। হে মু'মিনগণ! তোমরা নাবীর কন্ঠস্বরের উপর নিজেদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চৈঃস্বরে কথা বল তাঁর সঙ্গে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। কারণ এতে তোমাদের 'আমাল নিস্ফল হয়ে যাবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে”- (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/১-২)। [৪৮৪৫, ৪৮৪৭, ৭৩০২] (আ.প্র. ৪০২১, ই.ফা. ৪০২৫)
আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তামীম গোত্রের একদল আরোহী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলে আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! কা’কা’ ইব্ন মা’বাদকে শাসক নিযুক্ত করুন; উমর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আকরা ইব্ন হাবিসকে ১ হাকিম নিযুক্ত করুন। পরে তাঁরা বাদানুবাদে লিপ্ত হলে তাঁদের শব্দ উঁচু হয়ে গেল। তখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ হে ঈমানদারগন! আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের বলার পূর্বে তোমরা নিজেদের মত প্রকাশ করো না বা তাঁর আদেশের মধ্যে কথার বাধা দিও না............ যদি তারা আপনার বের হওয়া পর্যন্ত সবর করতো, তবে তাদের জন্য উত্তম হত। (হুজুরাতঃ ১-৫)