সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->‘‘কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৩) হাঃ-৪৫৯০

সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, এই আয়াত সম্পর্কে কূফাবাসীগণ ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করল। (কেউ বলেন মানসূখ, কেউ বলেন মানসূখ নয়। এ ব্যাপারে আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, উত্তরে তিনি বললেন, وَمَنْيَقْتُلْمُؤْمِنًامُتَعَمِّدًافَجَزَاؤُهُجَهَنَّمُ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে এবং এটি শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াত; এটাকে কোন কিছু রহিত করেনি। [৩৮৫৫; মুসলিম ৫৪/হাঃ ৩০২৩] (আ.প্র. ৪২২৯, ই.ফা. ৪২৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাফসীর বাব->মহান আল্লাহর বাণী : “যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর স্মরণে তাদের হৃদয় ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় কি আসেনি” হাঃ-৭৪৩১

সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুফাবাসী লোকেরা মহান আল্লাহর এ বাণীকে কেন্দ্র করে মতভেদে লিপ্ত হলঃ “কেউ স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম; সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ্ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে লা’নত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করবেন”- (সূরাহ্ আন্ নাস ৪:৯৩) এ আয়াত সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করলে আমি ইবনু আব্বাস (রাযি:)-এর কাছে আসলাম এবং তাঁকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এ আয়াত শেষ পর্যায়ে নাযিল হয়েছে। সুতরাং অন্য কোন আয়াত সেটাকে মানসুখ করতে পারেনি। (ই.ফা. ৭২৬০, ই.সে. ৭৩১৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->হত্যা অবৈধ হওয়া বাব->হত্যা করা কঠিন অপরাধ হাঃ-৪০০০

সাঈদ ইবন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ কুফাবাসীগণ [আরবি] আয়াত সম্পর্কে মতবিরোধ করলে এটি রহিত হয়েছে কিনা। আমি ইবন আব্বাস (রাঃ) -এর কাছে গেলাম এবং এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ এটি সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াতসমূহের অন্যতম, কোন আয়াত একে রহিত করেনি।


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) [১] এর ব্যাখ্যা হাঃ-৪৮৬৪

সাঈদ ইবন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়াত (আরবি) রহিত হয়েছে কিনা এ সম্পর্কে কূফাবাসীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিল। আমি ইব্ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞসা করলাম। তিনি বললেনঃ এই আয়াতটি তো শেষদিকে অবতীর্ণ আয়াতসমূহের একটি। একে কোন আয়াতই রহিত করেনি।