সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->ইফ্‌ক-এর ঘটনা হাঃ-৪১৪৬

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর কাছে হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) তাঁকে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শোনাচ্ছেন। তিনি 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর প্রশংসায় বলেছনে, "তিনি সতী, ব্যক্তিত্বসম্পন্না ও জ্ঞানবর্তী, তাঁর প্রতি কোন সন্দেহই আরোপ করা যায় না। তিনি অভুক্ত থাকেন, তবুও অনুপস্থিত লোকেদের গোশত খান না (অর্থাৎ গীবত করেন না)। এ কথা শুনে 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, কিন্তু আপনি তো এরূপ নন। মাসরুক (রহঃ) বলেছেন যে, 'আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কেন তাকে আপনার কাছে আসার অনুমতি দেন? অথচ আল্লাহ আ'আলা বলেছেন, "তাদের মধ্যে যে এ ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে, তার জন্য আছে কঠিন শাস্তি। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অন্ধত্ব থেকে কঠিনতর শাস্তি আর কী হতে পারে? তিনি তাঁকে আরো বলেন যে, হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষাবলম্বন করে কাফিরদের সঙ্গে মুকাবালা করতেন অথবা কাফিরদের বিপক্ষে নিন্দাপূর্ণ কবিতা রচনা করতেন। [৪৭৫৫, ৪৭৫৬; মুসলিম ৪৪/৩৪, হাঃ ২৪৮৮] (আ.প্র. ৩৮৩৪, ই.ফা. ৩৮৩৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬২৮৫

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরূক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (‘আয়িশাহ্কে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”- (সূরাহ্ আন্ নূর ২৪:১১)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৬, ই.সে. ৬২১০)