‘আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বপ্রথম আমিই ক্বিয়ামাতের দিন দয়াময়ের সামনে বিবাদ মীমাংসার জন্য হাঁটু গেড়ে বসব। ক্বায়স ইব্নু ‘উবাদ (রাঃ) বলেন, এদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছেঃ “এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বিতর্ক করে”- (সূরা হাজ্জ ২২/১৯)। তিনি বলেন, (মুসলিম পক্ষের) তারা হলেন হাম্যা, ‘আলী ও ‘উবাইদাহ অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) আবূ ‘উবাইদাহ ইব্নুল হারিস (রাঃ) (অপরপক্ষে) শায়বা বিন রাবী‘আহ, ‘উত্বাহ বিন রাবী‘আহ এবং ওয়ালীদ ইব্নু ‘উত্বাহ যারা বদর যুদ্ধের দিন পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন [৪]। [৩৯৬৭, ৪৭৪৪] (আ.প্র. ৩৬৭৩, ই.ফা. ৩৬৭৬)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ “এরা দু’টি বিবদমান দল তারা তাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে”-(সূরাহ হাজ্জ ২২/১৯) আয়াতটি কুরাইশ গোত্রীয় ছয়জন লোক সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা হলেন, (মুসলিম পক্ষ) ‘আলী, হামযাহ, ‘উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাঃ) ও (কাফির পক্ষে) শায়বা ইব্নু রাবী‘আহ, ‘উত্বাহ ইব্নু রাবী‘আহ এবং ওয়ালীদ ইব্নু ‘উত্বাহ। [৩৯৬৮, ৩৯৬৯, ৪৭৪৩] (আ.প্র. ৩৬৭৪, ই.ফা. ৩৬৭৭)
ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি আবূ যার (রাঃ)-কে কসম করে বলতে শুনেছি যে, “এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ তারা তাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে” আয়াতটি বাদ্রের দিন পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হামযা, ‘আলী, ‘উবাইদাহ ইব্নুল হারিস, রাবী‘আহ্র দুই পুত্র ‘উত্বাহ ও শায়বাহ এবং ওয়ালীদ ইব্নু ‘উত্বাহ্র সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। [৩৯৬৬] (আ.প্র. ৩৬৭৭, ই.ফা. ৩৬৮০)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি শপথ করে বলতেন, "তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বাক-বিতণ্ড করে"- (সূরাহ আল হাজ্জ ২২ : ১৯) আল্লাহর এ বাণী ঐ লোকেদের সম্বন্ধেই অবতীর্ণ হয়েছে, যারা বাদরের দিন যুদ্ধ করার জন্য যুদ্ধ ক্ষেত্রে অবতরণ করেছিল। এদের একদিকে ছিলেন হামযাহ, আলী ও উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাঃ) আর অপরদিকে ছিল, উতবাহ ও শইবাহ রাবী'আর দু পুত্র এবং ওয়ালীদ ইবনু উতবাহ। (ই.ফা ৭২৮০, ই.সে ৭৩৩৬)