ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা’আলার বাণী “আর আমি যে দৃশ্য আপনাকে দেখিয়েছি তা কেবল মানুষের পরীক্ষার জন্য” (ইসরা/বানী ইসরাঈলঃ ২০) এর তাফসীরে বলেন, এটি হল প্রত্যক্ষভাবে চোখের দেখা যা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সে রাতে দেখানো হয়েছে যে রাতে তাঁকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আরো বলেন, কুরআনে যে অভিশপ্ত বৃক্ষের কথা বলা হয়েছে, তা হল যাক্কুম বৃক্ষ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬০৬)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي.....} الاية (আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেনঃ তা হচ্ছে চোখের দেখা। যে রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সে রাতে তাঁকে যা দেখানো হয়েছিল। তিনি বলেন, কুরআনের বর্ণিত وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ দ্বারা যাক্কূম গাছকে বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বানী : “তোমাকে আমরা চাক্ষুষভাবে যা দেখালাম তা এই লোকদের জন্য একটি পরীক্ষার বস্তু বানিয়ে রেখেছি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০)। আয়াতে উল্লেখিত “রুইয়া” প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা ছিল চাক্ষুস দর্শন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের বেলা (মিরাজের সময়) বাইতুল মাক্বদিসে নিয়ে গিয়ে তা (যাবতীয় নিদর্শন) দেখানো হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, “কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত গাঠটি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০) হল যাক্কুম গাছ। সহীহ : বুখারী (৪৭১০)।