আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সদকার আয়াত নাযিল হলো তখন আমরা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বোঝা বহন করতাম। এক ব্যক্তি এসে প্রচুর মাল সদকা করলো। তারা (মুনাফিকরা) বলতে লাগলো, এ ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে দান করেছে, আর এক ব্যক্তি এসে এক সা’ পরিমাণ দান করলে তারা বললো, আল্লাহ তো এ ব্যক্তির এক সা’ হতে অমুখাপেক্ষী। এ প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়ঃ “মুমিনগণের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় সদকা দেয় এবং যারা নিজ শ্রম ব্যতিরেকে কিছুই পায় না তাদেরকে যারা দোষারোপ করে….”- (আত তাওবাঃ ৭৯)।
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বোঝা বহনকারী শ্রমিক ছিলাম, আমাদেরকে দান-খায়রাত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অতঃপর আবূ ‘আক্বীল অর্ধ সা’ সদাক্বাহ্ করল এবং আরেক ব্যক্তি এর চেয়ে কিছু বেশী নিয়ে আসল। মুনাফিক্বরা বলতে লাগল আল্লাহ্র কাছে সামান্য দানের কোন মূল্য নেই এবং তিনি এর মুখাপেক্ষী নন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি (আবূ ‘আক্বীল) শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশেই দান করেছেন। অতঃপর এ আয়াত নাযিল হলো: “যারা বিদ্রূপ করে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাক্বাহ্ প্রদানকারী মু’মিনদেরকে, আর তাদেরকে যাদের পারিশ্রমিক ছাড়া কোন আয় বা সামর্থ্য নেই”- (সূরাহ আত্ ত্বওবাহ্ ৯:৭৯)। বিশ্রের বর্ণনায় (আরবী) শব্দটি নেই। (ই.ফা. ২২২৪, ই.সে.২২২৫)
আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আমাদেরকে সাদাকা করার আদেশ দিলেন। তখন আবূ আকীল অর্ধ “সা” সাদাকা করলেন আর অন্য একজন প্রচুর মাল-সামান নিয়ে আসল। তখন মুনাফিকরা বলল যে, আল্লাহ্ তা’আলা এর সাদাকার মুখাপেক্ষী নন। আর ঐ দ্বিতীয় ব্যক্তি তা লোক দেখানোর জন্য সাদাকা করল। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ (আরবি) বাংলা অর্থঃ মুমিনদের মধ্যে যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাদাকা দেয় এবং যারা নিজ শ্রম ব্যতিরেকে কিছুই পায় না (এবং তা থেকেই) সাদাকা করে .....) এদের যারা দোষারোপ (সমালোচনা) করে (এদের উপহাস করে, আল্লাহ্ তাদের উপহাস করবেন ... )।