সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->লজ্জাস্থান আবৃত করা। হাঃ-৩৬৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আবূ বকর (রাঃ) [যখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানির দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহ্‌র হজ্জ করতে পারবে না। আর উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ্‌ ত্বওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইব্‌নু ‘আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, অতঃপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) কে আবূ বক্‌র এর পিছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারা’আতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে ‘আলী (রাঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর হতে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর ত্বওয়াফ করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬২)


সহিহ বুখারী অঃ->জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন বাব->চুক্তিতে আবদ্ধ গোত্রের চুক্তি কিভাবে বাতিল করা যাবে? হাঃ-৩১৭৭

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে সে সকল লোকের সঙ্গে পাঠান যাঁরা মিনায় কুরবানীর দিন এ ঘোষনা দিবেনঃ এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না আর বায়তুল্লাহ শরীফে কোন নগ্ন ব্যক্তি তাওয়াফ করতে পারবে না আর কুরবানীর দিনই হল হজ্জে আকবারের দিন। একে আকবার এ জন্য বলা হয় যে, লোকেরা (উমরাহ্‌কে) ‌হজ্জে আসগার (ছোট) বলে। আবূ বকর (রাঃ) সে বছর মুশরিকদের চুক্তি রহিত করে দেন। কাজেই হুজ্জাতুল বিদার বছর যখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ করেন, তখন কোন মুশরিক হাজ্জ করেনি।


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ হাঃ-৪৬৫৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্র (রাঃ) আমাকে সে কুরবানীর দিন ঘোষণাকারীদের সঙ্গে মিনায় এ (কথা) ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পরে আর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। আল্লাহ্‌র ঘর নগ্ন অবস্থায় কাউকে তওয়াফ করতে দেয়া হবে না। হুমাইদ (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পরে পুনরায় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিবকে পাঠালেন এবং বললেন ঃ সূরায়ে বারাআতের নির্দেশাবলী ঘোষণা করে দাও। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের সঙ্গেই মীনাবাসীদের মধ্যে সূরায়ে বারাআত কুরবানীর দিন ঘোষণা করলেন এ বছরের পরে কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না এবং নগ্নদেহে আল্লাহ্‌র ঘরের তাওয়াফ করবে না। [৩৬৯] (আ.প্র. ৪২৯৫, ই.ফা. ৪২৯৭)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ অতএব, তোমরা পূর্ণ করবে তাদের সঙ্গে কৃত চুক্তিকে তাদের মেয়াদ পর্যন্ত। (সূরাহ বারাআত ৯/৪) হাঃ-৪৬৫৭

ইসহাক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হাজ্জের পূর্বের বছর আবূ বাক্র (রাঃ)-কে যে হাজ্জের আমীর বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন, সেই হাজ্জে তিনি যেন লোকেদের মধ্যে ঘোষণা দেন, এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না এবং নগ্নদেহে কেউ আল্লাহ্‌র ঘর তাওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেন, [আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)]’র হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, হাজ্জুল আকবারের দিন হল কুরবানীর দিন। [৩৬৯] (আ.প্র. ৪২৯৬, ই.ফা. ৪২৯৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মুশরিকরা বায়তুল্লাহর হাজ্জ করবে না, উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ করবে না এবং হাজ্জের বড় দিনের বর্ণনা হাঃ-৩১৭৮

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের পূর্ববর্তী (বছরের) যে হাজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর সিদ্দীক্ব (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হাজ্জের সময় তিনি (আবূ বকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানীর দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ “এ বছরের পর মুশরিকরা আর হাজ্জ করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ করবে না”। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান বলতেন- “মহান হাজ্জের দিন হচ্ছে এ কুরবানীর দিন”। [৩৬] (ই.ফা. ৩১৫৩, ই.সে. ৩১৫০)