‘আবদুল্লাহ্ (ইব্নু মাস‘ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘‘যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে শিরকের সাথে মিশ্রিত করেনি’’- (সূরা আন্‘আম ৬/৮২); এ আয়াত নাযিল হলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, ‘আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে যুল্ম করেনি?’ তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই শির্ক হচ্ছে অধিকতর যুল্ম’’-(সূরা লুকমান ৩১/১৩) (৩৩৬০ ৩৪২৮, ৩৪২৯, ৪৬২৯, ৪৭৭৬, ৬৯১৮, ৬৯৩৭; মুসলিম ১/৫৬ হাঃ ১২৬, আহমাদ ৪০৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩১)
‘আবদুল্লাহ (ইব্নু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলঃ যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি- (আল-আন’আম ৮২)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ বললেন, আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আছে যে, নিজের ঈমানকে যুল্মের দ্বারা কলুষিত করেনি? তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না। কেননা শির্ক হচ্ছে এক মহা যুল্ম- (লুকমান ১৮)।