ইব্নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো জন্য এ কথা বলা উচিত নয় যে, নিশ্চয়ই আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্নু মাত্তা হতে উত্তম। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (ইউনুসকে) তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কিত করেছেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্নু মাত্তার থেকে উত্তম।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
لاَ يُؤَاخِذُكُمْ اللهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে মানুষের উদ্দেশ্যবিহীন উক্তিلاَ وَاللهِ না আল্লাহ্র শপথ, بَلَى وَاللهِ হ্যাঁ আল্লাহ্র শপথ ইত্যাদি উপলক্ষে। [৬৬৬৩] (আ.প্র. ৪২৫২, ই.ফা. ৪২৫৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, “আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা থেকে উত্তম” এমন কথা বলা কারও জন্যে শোভনীয় নয়। [৩৩৯৫] (আ.প্র. ৪২৬৯, ই.ফা. ৪২৭২)
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ (ইউনুস) ইব্নু মাত্তার চেয়ে উত্তম বলে মনে করা কারো জন্য শোভনীয় নয়। [৩৪১২] (আ.প্র. ৪৪৪০, ই.ফা. ৪৪৪১)
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালকের নিকট হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ বলেন: কোন বান্দার জন্য এ দাবী করা শোভনীয় নয় যে, সে ইউনুস ইব্নু মাত্তার চেয়ে ভাল। এখানে ইউনুস (আঃ) -কে তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০৩১)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দার ক্ষেত্রেই এ কথা বলা ঠিক নয়, “আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা হতে উত্তম।” ইউনুস (‘আঃ)-কে এখানে তাঁর পিতা মাতার সঙ্গে সম্পর্কিত করা হয়েছে। (ই.ফা. ৫৯৪৫, ই.সে. ৫৯৮৪)
আবূ হুরাইরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা এক ইয়াহুদী বললো, সেই মহান সত্তার কসম! যিনি মূসা (আঃ)-কে মনোনীত করেছেন। তখন এক মুসলিম ইয়াহুদী লোকটির চেহারায় থাপ্পর মারলো। ইয়াহুদী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমাকে মূসা (আঃ)-এর উপর অধিক মর্যাদা দিও না। কেননা (ক্বিয়ামাতের দিন) সব মানুষ মূর্ছা যাবে। সর্বপ্রথম আমিই হুঁশ ফিরে পাবো। আর তখন মূসা (আঃ) আরশের একপাশ ধরে থাকবেন। আমি অবহিত নই যে, মূসা (আঃ) মূর্ছা গিয়ে আমার আগে হুশ ফিরে পাবে, না তিনি মূর্ছা যাবেন না অর্থাৎ যাদেরকে আল্লাহ ব্যতিক্রম করবেন তিনি তাদের একজন কিনা।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আদম সন্তানের নেতা এবং আমাকেই সর্বপ্রথম কবর হতে উঠানো হবে এবং আমিই সর্বপ্রথম সুপারিশকারী হবো এবং সর্বপ্রথম আমার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে।