আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এশার শেষ রাক’আতে যখন ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ্’ বলতেন তখন কুনূতে (নাযিলা) পড়তেনঃ হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ্কে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! সালামাহ ইবনু হিশামকে মুক্তি দিন। হে আল্লাহ! আপনি দুর্বল মু’মিনদের মুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আপনি মুযার গোত্রকে ভয়াবহ শাস্তি দিন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর ইউসুফ (আঃ) -এর সময়ের দুর্ভিক্ষের বছরের মত দুর্ভিক্ষ চাপিয়ে দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সময় একমাস যাবৎ ফাজরের সলাতে দ্বিতীয় রাক‘আতে রুকূ থেকে ওঠার পরে কুনূত পড়েছেন। এতে তিনি যখন রুকূ‘ থেকে উঠে “সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন তখন কুনূত পড়তে গিয়ে বলতেনঃ হে আল্লাহ, ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীদকে মুক্ত করে দাও। হে আল্লাহ ! সালামাহ্ ইবনু হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! ‘আয়িশাহ্ ইবনু আবূ রাবী‘আহ্কে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! দুর্বল অসহায় মু‘মিনদেরকেও মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! তুমি মুযার গোত্রকে তোমার কঠোরতা দ্বারা পিষে মারো। হে আল্লাহ ! তুমি তাদের ওপর ইউসুফ (আঃ) -এর সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো দুর্ভিক্ষ দান করো। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেছেন, পরে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এ দু‘আ পরিত্যাগ করতে দেখেছি। এতে আমি বিস্মিত হয়ে বললামঃ আমি দেখছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এখন তাদের জন্য দু‘আ করা ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ আমাকে তখন বলা হলো তুমি কি দেখছনা যে, তারা সবাই মুক্ত হয়ে চলে এসেছেন? (ই.ফা. ১৪১৩, ই.সে. ১৪২৩)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে যখন সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ বলতেন তখন দোয়া করতেন। তারপর সিজদার পূর্বে তিনি দাঁড়িয়ে বলতেন, ইয়া আল্লাহ! ওলীদ ইব্ন ওলীদ, সালামা ইব্ন হিশাম, আইয়াশ ইব্ন আবু রবী‘আ এবং অসহায় মু’মিনদের নাজাত দাও। ইয়া আল্লাহ! মুদার গোত্রের উপর তোমার শাস্তি কঠিন কর। আর তাদের বছরগুলোকে তাদের জন্য ইউসুফ (আঃ)-এর বছরগুলোর ন্যায় করে দাও। তারপর তিনি ‘আল্লাহু আকবর’ বলে সিজদা করতেন। আর মুদার গোত্রের উপজাতীয়রা তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরোধী ছিল।