সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৮৯

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি শুনতাম যে, কোন নাবীই মৃত্যুবরণ করবেন না, যতক্ষণ না তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝখান হতে কোন একটি বেছে নেয়ার অধিকার দেয়া হবে। মৃত্যু শয্যায় শায়িতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যখন তাঁর উর্ধ্বশ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছিল, “ওদের সঙ্গে, যাদের উপর আল্লাহ দয়া করেছেন; তাঁরা হলেন সিদ্দীক, শাহীদ ও সৎকর্মশীল, তাঁরা কতই না ঘনিষ্ঠ বন্ধু”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪:৬৯)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মনে হল তখনই তাঁকে (দুনিয়া ও আখিরাতের মাধ্যমে যা ভাল সেটি গ্রহণ করার) সুযোগ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৬০৭৬, ই.সে. ৬১১৪)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জানাযাহ বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (অন্তিম) রোগ। হাঃ-১৬২০

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: যখন কোন নবী রোগাক্রান্ত হন, তখন তাকে দুনিয়া ও আখেরাতের মধ্য থেকে যে কোনটি গ্রহন করার এখতিয়ার দেয়া হয়। আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বলেন, তিনি যখন অন্তিম রোগে আক্রান্ত হন তখন তার থেকে উচ্চ শব্দ বের হতো। আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ "নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)গণ, সত্যনিষ্ঠগণ, শহীদগণ ও সৎকর্মপরায়ণ, যাদের প্রতি আল্লাহ্‌ অনুগ্রহ করেছেন তাদের সঙ্গে "(সূরা নিসা : ৬৯)। তখন আমি বুঝতে পারলাম, তাকেও এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। [১৬১৮]