সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->মহান আল্লাহর বাণীঃ “আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা ভোরের সাদা রেখা পরিষ্কার দেখা যায় । তারপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত”- (আল-বাকারাহ্: ১৮৭) । এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বারা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন । হাঃ-১৯১৭

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হলঃ “তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ কাল রেখা হতে সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়।” কিন্তু তখনো ----- কথাটি নাযিল হয়নি। তখন সওম পালন করতে ইচ্ছুক লোকেরা নিজেদের দুই পায়ে একটি কাল এবং একটি সাদা সুতলি বেঁধে নিতেন এবং সাদা কাল এই দু’টির মধ্যে পার্থক্য না দেখা পর্যন্ত তাঁরা পানাহার করতে থাকতেন। এরপর আল্লাহ্‌ তা’আলা ------ শব্দটি নাযিল করলে সকলেই বুঝতে পারলেন যে, এ দ্বারা উদ্দেশ্য হল রাত (-এর আঁধার) এবং দিন (-এর আলো)।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৫

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত- (আরবী) “তোমরা সাদা রেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার কর” অবতীর্ণ হলো- কোন ব্যক্তি সিয়াম পালন করার ইচ্ছা করত এবং নিজের উভয় পায়ে সাদা ও কালো দু’টি সূতা বেঁধে নিত। অতঃপর সাদা ও কালো বর্ণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাকত। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা “ফাজ্‌রের” কথাটি অবতীর্ণ করলেন। তখন তারা সকলেই জানতে পারল যে, সাদা ও কালো রেখার অর্থ হলো রাত (রাতের অন্ধকার) ও দিন (দিনের আলো)। (ই.ফা. ২৪০২, ই.সে. ২৪০২)