সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->আল্লাহর বাণী –“আর যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম তারা ফিদ্‌ইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” – এ হুকুম মানসূখ হয়ে গেছে হাঃ-২৫৭৫

সালমাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম (অথচ সিয়াম পালন করতে চায় না) তারা ফিদইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে” যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, কেউ যদি রামাদানে সিয়াম পালন করতে না চাইতো সে সিয়াম ভাঙ্গত এবং তার পরিবর্তে ফিদইয়াহ্ আদায় করে দিত। অতঃপর এর পরবর্তি আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং তা পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুমকে মানসূখ (রহিত) করে দিল।” (ই.ফা. ২৫৫২, ই.সে. ২৫৫১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->“যারা সওম পালনে সক্ষম তারা ফিদ্ইয়া দিবে” এই বিধান রহিত হাঃ-২৩১৫

সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ)–এর আযাদকৄত গোলাম ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহর বাণী) “যারা সামর্থবান (কিন্তু সওম পালনে অক্ষম) তারা এর পরিবর্তে ফিদ্ইয়া হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ১৮৪) এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদের কারোর ইচ্ছে হলে সওম না রেখে ফিদ্ইয়া দিতে চাইলে তাই করতো। অতঃপর পরবর্তী আয়াত (২: ১৮৫ ) দ্বারা উপরের প্রথম বিধানটি মানসূখ হয়ে যায়।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->“যেসব লোক রোযা আদায়ের সমর্থ হয়েও..." প্রসঙ্গে হাঃ-৭৯৮

সালামা ইবনু আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলঃ “যেসব লোক রোযা আদায়ের ক্ষেত্রে সামর্থবান হয়েও (না রাখবে) সেসব লোক যেন একজন মিসকীনের আহার দেয়" আমাদের মধ্যে তখন যার ইচ্ছা হত সে রোযা পালন না করে তার পরিবর্তে ফিদ্‌ইয়া আদায় করত। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াত “তোমাদের মধ্যে যে লোক রমযান মাস পায় সে লোক যেন রোযা পালন করে” অবতীর্ণ হলে উপরের আয়াতের (সূরাঃ বাকারা- ১৮৪) বিধান বাতিল হয়ে যায়। -সহীহ্‌ ইরওয়া (৪/২২), বুখারী, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আল্লহর বাণীঃ (আরবী আছে) -এর তফসীর হাঃ-২৩১৬

সালামা ইব্‌ন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (আরবী আছে) আয়াত অবর্তীর্ন হল তখন আমাদের মধ্যে যারা ইচ্ছা করত সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলত এবং ফিদয়া দিত। যখন তার পরবর্তী আয়াত: (আরবী আছে) অবর্তীর্ন হল উক্ত আয়াতের হুকুমকে রহিত করে দিল।