সহিহ বুখারী অঃ->রোগীদের বর্ণনা বাব->রোগী কর্তৃক মৃত্যু কামনা করা। হাঃ-৫৬৭৪

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমার পায়ের উপর হেলান দেয়া অবস্থায় বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর, আর আমাকে মহান বন্ধুর সঙ্গে মিলিত কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৮৭

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মৃত্যুর আগমুহূর্তে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি তাঁর বূকে হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন, আর তিনিও (‘আয়িশাহ্) তাঁর দিকে কান পেতে রেখেছিলেন; তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মাফ করো, রহম করো এবং আমাকে আমার বন্ধুর সঙ্গে শামিল করো। (ই.ফা. ৬০৭৪, ই.সে. ৬১১২)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->তাহলীল (‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা), তাসবীহ্ (‘সুবহা-নাল্লা-হ’ বলা) ও দু‘আর ফাযীলাত হাঃ-৬৭৪২

আবূ মালিক আল আশজা‘ঈ (রহঃ) তাঁর পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন লোক ইসলাম কবূল করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এ দু‘আ বলতে শিখিয়ে দিতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী ওয়ার্হাম্নী ওয়াহ্দিনী ওয়ার্যুক্নী”। অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। (ই.ফা. ৬৬০৪, ই.সে. ৬৬৫৭)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->(যে দু’আটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআনের সূরা শিখানোর ন্যায় গুরুত্ব নিয়ে শিখাতেন) হাঃ-৩৪৯৬

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি তাঁর মৃত্যুবরণ কালে বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন এবং সুমহান সঙ্গির সঙ্গে আমাকে মিলিত করুন”। সহীহঃ বুখারি ও মুসলিম।