ইব্নু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) তাদেরকে জানিয়েছেন যে, একবার বানী তামীম গোত্রের একদল লোক সাওয়ার হয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, কা’কা ইব্নু মাবাদ (রাঃ)-কে ‘আমীর বানানো হোক এবং ‘উমার (রাঃ) বললেন, আকরা ইব্নু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করা হোক। তখন আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আপনার ইচ্ছে হলো কেবল আমার বিরোধিতা করা। উত্তরে ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছে করিনি। এ নিয়ে তাঁরা পরস্পর তর্ক-বিতর্ক করতে লাগলেন, এক পর্যায়ে তাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। এ উপলক্ষে আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সমক্ষে তোমরা কোন বিষয়ে অগ্রণী হয়ো না.....আয়াত শেষ। [৪৩৬৭] (আ.প্র. ৪৪৮০, ই.ফা. ৪৪৮৩)
আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তামীম গোত্রের একদল আরোহী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলে আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! কা’কা’ ইব্ন মা’বাদকে শাসক নিযুক্ত করুন; উমর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আকরা ইব্ন হাবিসকে ১ হাকিম নিযুক্ত করুন। পরে তাঁরা বাদানুবাদে লিপ্ত হলে তাঁদের শব্দ উঁচু হয়ে গেল। তখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ হে ঈমানদারগন! আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের বলার পূর্বে তোমরা নিজেদের মত প্রকাশ করো না বা তাঁর আদেশের মধ্যে কথার বাধা দিও না............ যদি তারা আপনার বের হওয়া পর্যন্ত সবর করতো, তবে তাদের জন্য উত্তম হত। (হুজুরাতঃ ১-৫)