সহিহ বুখারী অঃ->ক্রীতদাস আযাদ করা বাব->কোন আরব যদি কোন দাস-দাসীর মালিক হয় এবং তাকে দান করে, বিক্রয় করে, সহবাস করে এবং ফিদিয়া হিসাবে দেয় অথবা শিশুদেরকে বন্দী করে রাখে তবে এর বিধান কী? হাঃ-২৫৪৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তিনটি কথা শোনার পর হতে বনী তামীম গোত্রকে আমি ভালবেসে আসছি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, দাজ্জালের মুকাবিলায় আমার উম্মতের মধ্যে এরাই হবে অধিকতর কঠোর। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একবার তাদের পক্ষ হতে সদকার মাল আসলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ যে আমার কাওমের সাদাকা। ‘আয়িশা (রাঃ) -এর হাতে তাদের এক বন্দিনী ছিল। তা দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একে মুক্ত করে দাও। কেননা, সে ইসমাঈলের বংশধর।


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত হাঃ-৬৩৪৫

আবূ যুরআহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, আমি তিনটি কারণে বানূ তামীমকে ভালবাসতে থাকব। এ তিনটি ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তারা আমার উম্মাতের মধ্যে দাজ্জালের উপর সবচেয়ে বেশী শক্তিধর। রাবী বলেন, যখন তাদের সাদাকাহ আসলো তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা আমার জাতির সদাকাহ। রাবী বলেন, তাদের গোত্রের এক নারী ‘আয়িশা (রা)-এর বন্দিনী ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএকে আযাদ করে দাও। কারণ, সে ইসমাঈল (রহ)-এর সন্তানদের একজন। (ই.ফা. ৬২২২, ই.সে. ৬২৬৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত হাঃ-৬৩৪৬

আবূ হুরাইরাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ তামীম সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তিনটি কথা শোনার পর আমি তাদের পছন্দ করতে শুরু করি। তারপর তিনি পূর্বের ন্যায় অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬২২২, ই.সে. ৬২৭০)