আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে সে সকল লোকের সঙ্গে পাঠান যাঁরা মিনায় কুরবানীর দিন এ ঘোষনা দিবেনঃ এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না আর বায়তুল্লাহ শরীফে কোন নগ্ন ব্যক্তি তাওয়াফ করতে পারবে না আর কুরবানীর দিনই হল হজ্জে আকবারের দিন। একে আকবার এ জন্য বলা হয় যে, লোকেরা (উমরাহ্কে) হজ্জে আসগার (ছোট) বলে। আবূ বকর (রাঃ) সে বছর মুশরিকদের চুক্তি রহিত করে দেন। কাজেই হুজ্জাতুল বিদার বছর যখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ করেন, তখন কোন মুশরিক হাজ্জ করেনি।
ইসহাক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হাজ্জের পূর্বের বছর আবূ বাক্র (রাঃ)-কে যে হাজ্জের আমীর বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন, সেই হাজ্জে তিনি যেন লোকেদের মধ্যে ঘোষণা দেন, এ বছরের পর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না এবং নগ্নদেহে কেউ আল্লাহ্র ঘর তাওয়াফ করতে পারবে না। হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেন, [আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)]’র হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, হাজ্জুল আকবারের দিন হল কুরবানীর দিন। [৩৬৯] (আ.প্র. ৪২৯৬, ই.ফা. ৪২৯৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের পূর্ববর্তী (বছরের) যে হাজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর সিদ্দীক্ব (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হাজ্জের সময় তিনি (আবূ বকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানীর দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ “এ বছরের পর মুশরিকরা আর হাজ্জ করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ করবে না”। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান বলতেন- “মহান হাজ্জের দিন হচ্ছে এ কুরবানীর দিন”। [৩৬] (ই.ফা. ৩১৫৩, ই.সে. ৩১৫০)