সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->গির্জায় সালাত আদায় হাঃ-৪৩৪

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু সালামা (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর হাবশায় দেখা মারিয়া নামক একটা গির্জার কথা উল্লেখ করলেন। তিনি সেখানে সেখানে যে সব প্রতিচ্ছবি দেখেছিলেন, সেগুলোর বর্ণনা দিলেন। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরা এমন সম্প্রদায় যে, এদের মধ্যে কোন সৎ বান্দা অথবা বলেছেন কোন সৎ লোক মারা গেলে তার কবরের উপর তারা মসজিদ বানিয়ে নিত। আর তাতে ঐ সব ব্যক্তির প্রতিচ্ছবি স্থাপন করতো। এরা আল্লাহ্‌র নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টজীব। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪২২)


সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->কবরের উপর মসজিদ তৈরি করা। হাঃ-১৩৪১

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসুস্থতার সময় তাঁর এক সহধর্মিণী হাবাশা দেশে তাঁর দেখা ‘মারিয়া’ নামক একটি গীর্জার কথা বললেন। উম্মু সালামা এবং উম্মু হাবীবা (রাঃ) হাবাশায় গিয়েছিলেন। তাঁরা দু’জন ঐ গীর্জার সৌন্দর্য এবং তার ভিতরের চিত্রকর্মের বিবরণ দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাথা তুলে বললেনঃ সে সব দেশের লোকেরা তাদের কোন নেক্‌কার ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর কবরে মসজিদ নির্মাণ করত এবং তাতে ঐ সব চিত্রকর্ম অংকণ করত। তারা হলো, আল্লাহর নিকৃষ্ট সৃষ্টি।


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->হাবাশাহ্‌য় হিজরত। হাঃ-৩৮৭৩

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন উম্মু হাবীবাহ ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) তাঁর সাথে আলোচনা করলেন যে তাঁরা হাবাশায় খ্রিস্টানদের একটি গির্জা দেখে এসেছেন। সে গির্জায় নানা ধরনের চিত্র অঙ্কিত রয়েছে। তাঁরা দু'জন এসব কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন, তাদের কোন নেক্‌কার লোক মারা গেলে তার কবরের উপর মসজিদ তৈরি করত এবং এসব ছবি অঙ্কিত করে রাখত, এরাই ক্বিয়ামাতের দিনে আল্লাহর সর্ব নিকৃষ্ট সৃষ্টি হিসেবে গণ্য হবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা হাঃ-১০৬৮

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু হাবীবাহ্ ও উম্মু সালামাহ্ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’ স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এমন একটি গীর্জার বর্ণনা দিলো যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি যা তারা হাবশায় দেখেছিলেন। তাদের কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যেকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। ক্বিয়ামাতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (ই.ফা. ১০৬২, ই.সে. ১০৭০)


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->কবরকে মসজিদরূপে ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৭০৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মৃত্যুবরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরি করে রাখত। কিয়ামতে তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগণিত হবে।