সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->যী-কারাদ ও অন্যান্য যুদ্ধ হাঃ-৪৫৬৯

সালামাহ্‌ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাজ্‌রের আযানের আগেই বের হয়ে পড়লাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুধের উট্‌নী তখন যীকারাদের (চারণ ভূমিতে) চরছিল। তখন ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর গোলাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দুধের উট্‌নীসমূহকে নিয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কে সেগুলো নিয়ে গেছে? সে বলল, গাফ্‌তান গোত্রের লোকেরা। রাবী বলেন, তখন আমি উচ্চৈঃস্বরে তিনবার আওয়াজ দিলাম; সাহায্য চাই, সাহায্য চাই। রাবী (সালামাহ্‌ ইবনু আক্‌ওয়া’) বলেন, মাদীনার উভয় প্রান্তের মধ্যবর্তী সবাইকে আমি আমার সে আওয়াজ শুনালাম তারপর বের হয়ে গেলাম। যী-কারাদে গিয়ে তাদের (লুটেরাদের)-কে পেলাম। তখন তারা তাদের পশুদেরকে পানি পান করাচ্ছিল। তখন আমি তীর নিক্ষেপ করতে শুরু করলাম। আমি ছিলাম একজন দক্ষ তীরন্দাজ। আর তখন আমি বীরত্বসূচক কবিতা আবৃত্তি করছিলাম, “আমি আক্‌ওয়া’র পুত্র, আজ দুষ্টদের ধ্বংসের দিন।” (কিংবা আজ তার দিন যে শৈশব থেকে যুদ্ধের স্তন্য পান করেছে)। আমি আমার তীর নিক্ষেপ ও বীরত্বব্যঞ্জক কবিতা আবৃত্তি করতে থাকলাম। অবশেষে আমি দুধের উট্‌নীসমূহ মুক্ত করলাম এমনকি আমি তাদের ত্রিশটি চাদরও ছিনিয়ে নিলাম। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও লোকজন এসে পড়লেন। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি তাদের পানির পথ রুদ্ধ করে রেখেছি, তাই তারা পিপাসার্ত। এবার আপনি একটি বাহিনী প্রেরণ করুন। তখন তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আকওয়া’, এ সময় যা নেয়ার ছিল তুমি তা নিয়েছ। এবার ছেড়ে দাও। রাবী বলেন, তারপর আমরা ফিরে এলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁরই উট্‌নির পিছনে বসিয়ে নিলেন। তারপর আমরা মাদীনায় পৌঁছলাম। (ই.ফা. ৪৫২৬, ই.সে. ৪৫২৮)