কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরা আদায় করেছেন? তিনি বললেন, চারবার। তন্মধ্যে হুদায়বিয়ার ‘উমরা যুল-কা‘দা মাসে যখন মুশরিকরা তাঁকে মক্কা প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিল। পরবর্তী বছরের যুল-কা‘দা মাসের ‘উমরা, যখন মুশরিকদের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনীমতের মাল, সম্ভবতঃ হুনায়নের যুদ্ধে বন্টন করেন। আমি বললাম, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার।
হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি ‘উমরা করেছেন। তন্মধ্যে হজ্জের মাসে যে ‘উমরা করেছেন তা ছাড়া বাকী সব ‘উমরাই যুল-কা‘দা মাসে করেছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়ার ‘উমরা, পরবর্তী বছরের ‘উমরা, জি‘রানার ‘উমরা, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হজ্জের মাসে আদায়কৃত ‘উমরা।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিরানা নামক জায়গা হতে ‘উমারাহর জন্য ইহরাম বাঁধলেন, যেখানে তিনি হুনাইন যুদ্ধের গনীমত বণ্টন করেছিলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন এবং হাজ্জের সাথের ‘উমরাহ্ ব্যতীত সকল ‘উমরাহ্ই যুল ক্বা’দায় করেন। (১) হুদায়বিয়াহ্ থেকে বা হুদায়বিয়ার সময়ের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (২) পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (৩) জি’রানাহ্ থেকে কৃত ‘উমরাহ, যেখানে হুনায়নের গনীমাতের সম্পদ বণ্টন করা হয়েছিল, সে ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে এবং (৪) আর একটি ‘উমরাহ্ যা হাজ্জের সাথে করেন। (ই.ফা. ২৮৯৯. ই.সে. ২৮৯৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মোট চারবার ‘উমরাহ করেছেন। বিদায় হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ ছাড়া অবশিষ্ট ‘উমরাহগুলো তিনি যিলক্বাদ মাসে আদায় করেছেন। [১৯৯৪]