সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সলাতুল খাওফ সম্পর্কে বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের একদলও তার সাথে (সলাতে) দাঁড়াবে এবং অপর দল শত্রুর প্রতিরোধে থাকবে এবং তাদের দৃষ্টি থাকবে কাতারের দিকে। তিনি তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত পড়বেন, অতঃপর তারা স্বতন্ত্রভাবে দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন তাদের স্থানে। অতঃপর তারা পূর্বোক্ত দলের স্থানে ফিরে যাবে এবং তারা এসে গেলে তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’ সাজদাহয় আরো এক রাকআত পড়বেন। এতে তার হবে দু’ রাকআত আর লোকেদের হবে এক রাকআত। অতঃপর তারা দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন। ২/১২৫৯ (১). সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে ইয়াহইয়া বিন সা‘ঈদের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী (মুহাম্মাদ বিন বাশ্শার) বলেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাকে বললেন, এ হাদীস ও এক কোণায় লিখে নাও। আমি হাদীসটি মুখস্ত রাখতে পারিনি কিন্তু তা ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারীর হাদীসের অনুরূপ। [১২৫৯] তাহকীক আলবানী : সহীহ।
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বিপদকালীন নামায সম্পর্কে বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে। একদল তার সাথ দাঁড়াবে এবং অপর দল শত্রুকে বাধা দান করবে। তাদের অবস্থান শত্রুর দিকে থাকবে। ইমাম প্রথম দলের সাথে এক রাক‘আত আদায় করবে, তারপর মুক্তাদীরা এক রুকূ ও দুই সাজদাহ্ করবে (আরো এক রাক‘আত আদায় করবে)। অতঃপর তারা গিয়ে প্রতিরক্ষা বুহ্য রচনা করবে এবং দ্বিতীয় দল আসলে ইমাম তাদের সাথে আর এক রাক‘আত নামায আদায় করবে। তাদের সাথে দুটি সাজদাহ্ করবে, এতে তার দুই রাক‘আত পূর্ণ হবে এবং তাদের হবে এক রাক‘আত। অতঃপর তারা আরো এক রাক‘আত আদায় করবে এবং দুটি সাজদাহ্ করবে। -সহীহ্। ইবনু মাজাহ- (১২৫৯), বুখারী ও মুসলিম।
সহ্ল ইব্ন আবু হাছমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে এবং তাদের এক দল ইমামের সাথে দাঁড়াবে, আর এক দল শত্রু মুখোমুখী দাঁড়াবে এবং তাদের চেহারা থাকবে শত্রুর দিকে। ইমাম তাদের নিয়ে একটি রুকূ করবেন এবং তাঁরা তাদের জন্য একটি রুকূ করবে ও তারা দু’টা সিজদা করবে তাদের স্থানে। তারপর এরা তাদের স্থানে চলে যাবে ও ওরা এসে যাবে। ইমাম তাদের নিয়ে রুকূ করবে ও দু’টা সিজদা করবে। অতএব সালাত ইমামের জন্য হবে দু’রাকআত আর তাদের জন্য হবে এক রাকআত। অতঃপর তারা একটি রুকূ আদায় করবে ও দু’টা সিজদা করবে।