সালিম (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছেন যে, তিনি ফাজ্রের সলাতের শেষ রাকআতে রুকূ‘ থেকে মাথা তুলে ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ (আল্লাহ তাঁর প্রশংসাকারীর প্রশংসা শোনেন। হে আমাদের প্রতিালক! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা)’, ‘রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ’ বলার পর এটা বলতেন ঃ হে আল্লাহ! অমুক, অমুক এবং অমুককে লানত করুন। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন ঃ لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ ..... فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ “তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদের শাস্তি দিবেন, এ বিষয়ে তোমার করণীয় কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম।” ইসহাক ইবনু রাশিদ (রহ.) ইমাম যুহরী (রহ.) থেকে এটা বর্ণনা করেছেন। [৪০৬৯] (আ.প্র. ৪১৯৮, ই.ফা. ৪২০০)
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ফাজ্রের সালাতের শেষে রুকু’ থেকে মাথা উঠানোর সময় বলতে শুনেছেন, (আরবী) (হে আমাদের প্রতিপালক! সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আপনারই জন্য। তিনি আরো বললেন, হে আল্লাহ্! আপনি অমুক অমুক লোকের উপর অভিশাপ দিন। তখন আল্লাহ্ নাজিল করলেনঃ “আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি প্রদান করবেন - এ ব্যাপারে তোমার কিছু করার নেই। কেননা তারা হচ্ছে যালিম” - (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/১২৮)। [৪০৬৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৪৫)