সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->সূরাহ আল-বাকারাহ্‌র ফযীলত। হাঃ-৫০০৯

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)


সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->যারা সূরা বাকারাহ বা অমুক অমুক সূরা বলাতে দোষ মনে করেন না। হাঃ-৫০৪০

আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি সূরা বাক্বারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, তবে এটাই তার জন্য যথেষ্ট।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭১)


সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->কতটুকু সময়ে কুরআন খতম করা যায়? হাঃ-৫০৫১

সুফ্‌ইয়ান ইব্‌নু ‘উয়াইনাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে ইব্‌নু সুবরুমা (রহঃ) বললেন, আমি দেখতে চাইলাম, সলাতে কী পরিমাণ আয়াত পাঠ করা যথেষ্ট এবং আমি তিন আয়াত বিশিষ্ট সূরার চেয়ে ছোট কোন সুরাহ পেলাম না। সুতরাং আমি বললাম, কারো জন্য তিন আয়াতের কম সলাতে পড়া উচিত নয়। আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম, তখন তিনি বায়তুল্লাহ্‌ তাওয়াফ করছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি কেউ সুরা বাকারার শেষ দু’আয়াত রাতে পাঠ করে, তাহলে তা তার জন্য যথেষ্ট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮২)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->আল ফাতিহাহ্ ও সূরাহ্ আল বাক্বারার শেষ অংশের ফাযীলাত, সূরাহ্ আল বাক্বারার শেষ দু’ আয়াত তিলাওয়াতে উৎসাহ দান। হাঃ-১৭৬৩

‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বায়তুল্লার পাশে আবূ মাস'ঊদ (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ পেয়ে তাকে বললাম সূরাহ্ আল বাক্বারার দু’টি আয়াত সম্পর্কে আপনার বর্ণিত একটি হাদীস আমি জানতে পেরেছি। আসলে সেটা হাদীস কিনা? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্-এর শেষ দু’টি আয়াত এমন যে, যে ব্যাক্তি কোন রাতে ঐ দু’টি পড়বে তা তার সে রাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। [৩৭] (ই.ফা.১৭৪৮, ই.সে.১৭৫৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->আল ফাতিহাহ্ ও সূরাহ্ আল বাক্বারার শেষ অংশের ফাযীলাত, সূরাহ্ আল বাক্বারার শেষ দু’ আয়াত তিলাওয়াতে উৎসাহ দান। হাঃ-১৭৬৫

আবূ মাস'ঊদ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি সূরাহ্ আল বাক্বারার শেষের এ আয়াত দু’টি পড়বে তা সে রাতে ঐ ব্যাক্তির জন্য যথেষ্ট হবে। এ হাদীসটির একজন বর্ণনাকারী ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ বর্ণনা করেছেন, একদিন আবূ মাস’ঊদ বায়তুল্লাহর ত্বওয়াফ করছিলেন এমন সময় আমি তাকে এ হাদীসটির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালেন। (ই.ফা.১৭৫০, ই.সে.১৭৫৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->কুরআন নির্ধারিত অংশে ভাগ করে তিলাওয়াত করা হাঃ-১৩৯৭

আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আবূ মাসঊদ (রাঃ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন, এমন সময় আমি তাকে কুরআন পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরাহ বাক্বারাহর শেষ আয়াত দু‘টি পাঠ করবে, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হবে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->কোন্ জিনিস রাতের ইবাদাতের পরিপূরক হতে পারে। হাঃ-১৩৬৮

আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যাক্তি রাতে সূরাহ বাকারার শেষ দু’ আয়াত তিলাওয়াত করলে তা তার জন্য যথেষ্ট। হাফস (রাঃ) তার হাদীসে উল্লেখ করেন যে, আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আমি আবূ মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে তার তাওয়াফরত অবস্থায় সাক্ষাত করি। তখন তিনি আমার নিকট এ হাদীস বর্ণনা করেন। [১৩৬৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->কোন্ জিনিস রাতের ইবাদাতের পরিপূরক হতে পারে। হাঃ-১৩৬৯

আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যাক্তি রাতে সূরাহ বাকারার শেষ দু’ আয়াত তিলাওয়াত করে, তা তার জন্য যথেষ্ট। [১৩৬৯]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কুরআনের ফযিলত বাব->সূরা আল-বাক্বারার শেষ আয়াতের ফযিলত হাঃ-২৮৮১

আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে ব্যক্তি সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াতে রাতের বেলা তিলাওয়াত করবে তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (১২৬৩)।