আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বাদ্রের দিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবূ জাহলের কী অবস্থা হল কেউ তা দেখতে পার কি? তখন ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) বের হলেন এবং দেখতে পেলেন যে, ‘আফ্রার দুই পুত্র তাকে এমনিভাবে মেরেছে যে, মুমূর্ষু অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। ‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমিই কি আবূ জাহ্ল? রাবী বলেনঃ আবূ জাহ্ল বললঃ সেই লোকটির চেয়ে উত্তম আর কেউ আছে কি যাকে তার গোত্রের লোকেরা হত্যা করল অথবা বলল তোমরা যাকে হত্যা করলে? আহমদ বিন ইউনুসের বর্ণনায় এসেছে, তুমি আবূ জাহ্ল। [৩৯৬৩, ৪০২০] (আ.প্র. ৩৬৭১, ই.ফা. ৩৬৭৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাদ্রের দিন বললেন, আবূ জাহলের কী অবস্থা কেউ দেখে আসতে পার কি? তখন ‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) তার খোঁজে বের হলেন। এবং ‘আফরার দুই ছেলে তাকে আঘাত করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখেছে দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, তুমি কি আবূ জাহ্ল? (আবূ জাহ্ল বলল), একজন লোককে হত্যা ব্যতীত তোমরা তো অধিক কিছু করনি? সুলায়মান বলেন, অথবা সে (আবূ জাহ্ল) বলেছিল, একজন লোককে তার কাওমের লোকেরা হত্যা করেছে? আবূ মিজলায (রাঃ) বলেন, আবূ জাহ্ল বলেছিল, চাষী ব্যতীত অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করত! [১৫] [৩৯৬২] (আ.প্র. ৩৭২১, ই.ফা. ৩৭২৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বাদ্র যুদ্ধের দিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআবূ জাহ্লের কী হলো, কে আমাদের জানাবে? তখন ইবনু মাস‘ঊদ বেরিয়ে গেলেন এবং (যুদ্ধক্ষেত্রে) গিয়ে দেখলেন, আফরা-এর দু’পুত্র তাকে এমনি আঘাত করেছে যে, সে ঠান্ডা হয়ে গেছে। রাবী বলেন, তখন ইবনু মাস‘ঊদ তার দাড়ি ধরে বললেন, তুমিই কি আবূ জাহ্ল? সে বলল, তার চাইতেও উত্তম কাউকে তোমরা হত্যা করেছ? অথবা সে বলল, “যাকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা হত্যা করেছে?” রাবী বলেন, আবূ মিজলায (রহঃ) বলেছেন, আবূ জাহ্ল বলেছে, হায়! চাষা ছাড়া অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করতো। (ই.ফা. ৪৫১১, ই.সে. ৪৫১৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাতে তিনি বলেন, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “আবূ জাহ্ল কি করলো, তা কে আমার পক্ষ থেকে জেনে আসবে? অতঃপর তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্ ও আবূ মিজলায (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যেমন ইসমা‘ঈল (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫১২, ই.সে. ৪৫১৪)