সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->যে ব্যক্তি যুদ্ধ করার ইচ্ছা করে এবং অন্যদিকে আকর্ষণের মাধ্যমে তা গোপন করে রাখে আর যে বৃহস্পতিবারে সফরে বের হতে পছন্দ করে। হাঃ-২৯৪৭

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু কা‘ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন কা‘বের পুত্রদের মধ্যে নেতা, তিনি বলেন, আমি কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে শুনেছি, যখন তিনি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পেছনে থেকে গিয়েছিলেন। রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোথাও যুদ্ধে যাবার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি অন্য দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দিয়ে তা গোপন রাখতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আহকাম বাব->রাষ্ট্রপ্রধান অপরাধী ও পাপীদেরকে তার সঙ্গে কথা বলা ও সাক্ষাত ইত্যাদি থেকে নিষেধ করতে পারবেন কিনা? হাঃ-৭২২৫

কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মালিক (রাঃ), কা’ব (রাঃ) অন্ধ হয়ে যাবার পর তাঁর ছেলেদের মধ্যে হতে তিনি তাঁকে (কা’ব) পথ দেখাতেন। তিনি বলেন, আমি কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন যে, যখন তিনি তাবূকের যুদ্ধে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে গমন করা থেকে পেছনে রয়ে গেলেন। তারপর তিনি পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করে বললেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদেরকে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করে দিলেন। ফলে পঞ্চাশ রাত আমরা এভাবে থাকলাম। এরপর আল্লাহ্‌ কর্তৃক আমাদের তাওবাহ কবূলের কথা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানিয়ে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩১)