আবুল মিনহাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সোনা-রূপার ব্যবসা করতাম। এ সম্পর্কে আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ফাযল ইবনু ই‘য়াকূব (রহঃ) অন্য সনদে ........ আবুল মিনহাল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু ‘আযিব ও যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা উভয়ে বললেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। আমরা তাঁকে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি হাতে হাতে (নগদ) হয়, তবে কোন ক্ষতি নেই; আর যদি বাকী হয় তবে জায়িয নয়।
‘আবুল মিনহাল (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার এক শরীক মৌসুম পর্যন্ত বা হাজ্জ পর্যন্ত কিছু রূপা বাকীতে বিক্রি করে। অতঃপর সে আমার কাছে আসে এবং আমাকে জানায়। আমি বললাম, এ কাজটি ঠিক হয়নি। সে বলল, আমি এটা বাজারে বিক্রি করেছি কিন্তু কেউ তো আমাকে এ থেকে বারণ করেনি। এরপর আমি বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন আমরা এ জাতীয় ক্রয়-বিক্রয় করতাম। তিনি বললেন, যদি নগদ নগদ হয় তাহলে কোন আপত্তি নেই, আর যদি বাকীতে হয় তবে সুদ হবে। তুমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর নিকট যাও, যেহেতু তিনি আমার চেয়ে বড় ব্যবসায়ী। অতঃপর আমি তাঁর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও অনুরূপ বললেন। (ই. ফা. ৩৯২৬, ই. সে. ৩৯২৫)
আবুল মিনহাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার এক অংশীদার বাকিতে রৌপ্য বিক্রয় করলো, পরে আমাকে বললে আমি বললামঃ এটা অবৈধ। তিনি বললেন, আমি সর্বসমক্ষে খোলা বাজারে বিক্রয় করেছি। কিন্তু কেউই একে মন্দ বলেনি। এরপর আমি বারা ইব্ন আযিযের নিকট গমন করে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি নগদ লেনদেন হয়, তবে এতে কোন ক্ষতি নেই; কিন্তু বাকিতে বিক্রি হলে তা সুদ হবে। তারপর বারা’ (রাঃ) আমাকে বললেনঃ তুমি যায়দ ইব্ন আরকাম-এর নিকট গমন কর। আমি তাঁর নিকট গেলে তিনিও অনুরূপ বললেন।