সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->মুসলিমগণের জন্য উভয় ‘ঈদের রীতিনীতি। হাঃ-৯৫২

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন আমার ঘরে) আবূ বকর (রাঃ) এলেন তখন আমার কাছে আনসারী দু’টি মেয়ে বু’আস যুদ্ধের দিন আনসারীগণ পরস্পর যা বলেছিলেন সে সম্পর্কে গান গাইছিল। তিনি বলেন, তারা কোন পেশাদার গায়িকা ছিল না। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘরে শয়তানী বাদ্যযন্ত্র। আর এটি ছিল ‘ঈদের দিন। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ বক্‌র! প্রত্যেক জাতির জন্যই আনন্দ উৎসব রয়েছে আর এ হলো আমাদের আনন্দের দিন।


সহিহ মুসলিম অঃ->দুই ঈদের সালাত বাব->ঈদের দিনগুলোতে আল্লাহর নাফরমানী হয় না এমন ক্রীড়া-কৌতুক করার অবকাশ প্রদান হাঃ-১৯৪৬

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট আসলেন। এ সময় আমার কাছে আনসার সম্প্রদায়ের দু’টি মেয়ে গান গাচ্ছিল। আনসারগণ বু‘আস যুদ্ধের সময় এ গানটি গেয়েছিল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারা অবশ্য (পেশাগত) গায়িকা ছিল না। আবূ বাক্‌র (রাঃ) বললেন, একি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবূ বাক্‌র! প্রত্যেক জাতির জন্য উৎসবের ব্যবস্থা আছে। আর এটা হচ্ছে আমাদের উৎসবের দিন। (ই.ফা. ১৯৩১, ই.সে. ১৯৩৮)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->গান গাওয়া এবং ঢোল বাজানো। হাঃ-১৮৯৮

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবু বাকর (রাঃ) আমার নিকট আসেন। তখন আমার নিকট দু’টি আনসার বালিকা উপস্থিত ছিল। তারা বুআস যুদ্ধে আনসারদের মুখে উচ্চারিত কবিতাগুলো গানের সুরে আবৃত্তি করছিল। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তারা পেশাদার গায়িকা ছিল না। আবু বাকর (রাঃ) বললেন, শায়তানের বাঁশী (বাদ্যযন্ত্র) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ঘরে? এ ঘটনাটি ছিল ঈদুল ফিতরের দিনের। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আবূ বাক্‌র! প্রত্যেক জাতিরই ঈদ (আনন্দ উৎসব) রয়েছে। আর এটাই হচ্ছে আমাদের ঈদ। [১৮৯৮]