সহিহ মুসলিম অঃ->বিবাহ বাব->পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে হাঃ-৩৩৭০

আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করেছেন, আমার বয়স তখন ছয় বছর। তিনি আমাকে নিয়ে বাসর ঘরে যান, তখন আমার বয়স নয় বছর। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমরা হিজরাত করে মাদীনায় পৌঁছার পর আমি একমাস যাবৎ জ্বরে আক্রান্ত ছিলাম এবং আমার মাথার চুল পড়ে গিয়ে কানের কাছে (কিছু) থাকে। (আমার মা) উম্মু রূমান আমার নিকট এলেন, আমি তখন একটি দোলনার উপরে ছিলাম এবং আমার কাছে আমার খেলার সাথীরাও ছিল। তিনি আমাকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকলেন, আমি তার নিকট গেলাম। আমি বুঝতে পারিনি যে, তিনি আমাকে নিয়ে কী করবেন। তিনি আমার হাত ধরে আমাকে দরজায় নিয়ে দাঁড় করালেন। আমি তখন বলছিলাম, আহ, আহ। অবশেষে আমার উদ্বেগ দূরীভূত হল। তিনি আমাকে একটি ঘরে নিয়ে গেলেন। সেখানে আনসার মহিলাগণ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সকলে আমার কল্যাণ ও রহমাতের জন্য দু‘আ করলেন এবং আমার সৌভাগ্য কামনা করলেন। তিনি (মা) আমাকে তাঁদের নিকট সমর্পণ করলেন। তাঁরা আমার মাথা ধুয়ে দিলেন এবং আমাকে সুসজ্জিত করলেন। আমি কোন কিছুতে ভীত শংকিত হইনি। চাশ্‌তের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন এবং তাঁরা আমাকে তাঁর নিকট সমর্পণ করলেন। (ই.ফা. ৩৩৪৪, ই.সে. ৩৩৪৩)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->নাবালেগ মেয়েকে তার পিতা বিবাহ দিলে। হাঃ-১৮৭৬

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ছয় বছর বয়সে আমাকে বিবাহ করেন। অতঃপর আমরা (হিজরত করে) মাদীনায় চলে এলাম এবং হারিস ইবনুল খাযরাজ গোত্রে আশ্রয় নিলাম। এখানে আমি জ্বরে আক্রান্ত হলে আমার মাথার চুল উঠে যায় এবং অল্প কিছু চুল অবশিষ্ট থাকে। আমি আমার বান্ধবীদের সাথে দোলনায় দোল খাচ্ছিলাম, তখন আমার মা উম্মু রুমান এসে আমাকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকলেন। আমি তার নিকট আসলাম, কিন্তু আমি তার উদ্দেশ্য বুঝতে পারলাম না। তিনি আমার হাত ধরে আমাকে ঘরের দরজায় দাঁড় করিয়ে দেন। আমি তখন সজোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছিলাম। তিনি পানি নিয়ে তা দ্বারা আমার মুখ ও মাথা মুছে দিলেন, অতঃপর আমাকে ঘরের ভিতরে নিয়ে যান, তখন ঘরের মধ্যে কিছু সংখ্যক আনসারী মহিলা ছিলেন। তারা বললেন, কল্যাণ ও বরকত হোক, ভাগ্য প্রসন্ন হোক। তিনি আমাকে তাদের নিকট সোপর্দ করলেন। তারা আমাকে সুসজ্জিত করেন। দুপুর বেলা হঠাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপস্হিতি আমাকে সচকিত করে। আমার মা আমাকে তাঁর নিকট অর্পণ করেন। তখন আমার বয়স ছিল নয় বছর। " [১৮৭৬]