সহিহ বুখারী অঃ->রক্তপণ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে। (সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৩২) হাঃ-৬৮৭৩

‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ঐ নির্বাচিত নেতাদের একজন ছিলাম যারা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বায়'আত করেছিলেন। আমরা তাঁর হাতে এ শর্তে বায়'আত করেছি যে, আমরা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কিছুকে শরীক করব না, যিনা করব না, চুরি করব না, এমন প্রাণ হত্যা করব না যা আল্লাহ্ হারাম করেছেন, আমরা লুণ্ঠন করব না, নাফরমানী করব না। যদি আমরা ওগুলো ঠিকভাবে পালন করি তবে জান্নাত লাভ হবে। আর যদি এর মধ্য থেকে কোন একটা করে ফেলি তাহলে তার ফয়সালা আল্লাহ্‌র কাছে সমর্পিত। (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬৩৯৪ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->হুদূদ’ তথা শরীয়ত কর্তৃক নির্দিষ্ট দণ্ড কার্যকরে অপরাধীর পাপ ক্ষমা হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে হাঃ-৪৩৫৬

কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ (রহঃ) .... উভয়ে ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সেসব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলাম, যাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বাই’আত নিয়েছিলেন। আমরা শপথ নিলাম যে, আমরা আল্লাহ্‌র সাথে কোন কিছু শরীক করবো না, ব্যভিচার করব না, চুরি করবো না, কাউকে হত্যা করবো না- যেগুলো (যাদেরকে হত্যা করতে) আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু, ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস তথা অবৈধ হত্যার পরিবর্তে বা মুরতাদ হলে বা বিয়ের পর যিনা করলে হত্যা করবে)। আর ডাকাতি করবো না ও কোন প্রকার নিষিদ্ধ কর্মও করবো না। যদি আমরা ঐরূপ কার্যাবলী না করে চলতে পারি তবে আমাদের জান্নাত মিলবে। আর যদি আমরা উল্লিখিত অপরাধের কোনটিতে লিপ্ত হই, তবে এর ফায়সালা আল্লাহ্‌র কাছেই। ইবনু রুম্হ বলেন, এর ফায়সালা মহান আল্লাহ্‌র কাছেই। (ই. ফা. ৪৩১৫, ই. সে. ৪৩১৬)