সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আমি আপনাকে যে দৃশ্য দেখিয়েছি তা (এবং কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত বৃক্ষটিও) শুধু মানুষের পরীক্ষার জন্য। (সূরাহ বানী ইসরাঈল ১৭/৬০) হাঃ-৪৭১৬

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلاَّ فِتْنَةً لِلنَّاسِ এ আয়াত সম্পর্কে বলেন, এ আয়াতে رُؤْيَا (স্বপ্নে দেখা নয়, বরং) চোখ দ্বারা সরাসরি দেখা বোঝানো হয়েছে, যা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মি‘রাজের রাতে সরাসরি দেখানো হয়েছিল। আর এখানে الشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ (অভিশপ্ত বৃক্ষ) বলতে ‘যাক্কুম’ বৃক্ষ বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আ.প্র. ৪৩৫৫, ই.ফা. ৪৩৫৭)


সহিহ বুখারী অঃ->তাক্‌দীর বাব->(আল্লাহ্‌র বাণী) আমি তোমাকে (মি’রাজের মাধ্যমে) যে দৃশ্য দেখিয়েছি তা এবং কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত (জাক্কুম) গাছটিও মানুষদের পরীক্ষা করার জন্য (যে কারা তা বিশ্বাস ক’রে নেক্‌কার হয় আর কারা তা অবিশ্বাস ক’রে পাপী হয়)। (সূরাহ্ ইসরা ১৭/৬০) হাঃ-৬৬১৩

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي.....} الاية (আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেনঃ তা হচ্ছে চোখের দেখা। যে রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সে রাতে তাঁকে যা দেখানো হয়েছিল। তিনি বলেন, কুরআনের বর্ণিত وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ দ্বারা যাক্কূম গাছকে বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬০)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা বানী ইসরাঈল হাঃ-৩১৩৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বানী : “তোমাকে আমরা চাক্ষুষভাবে যা দেখালাম তা এই লোকদের জন্য একটি পরীক্ষার বস্তু বানিয়ে রেখেছি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০)। আয়াতে উল্লেখিত “রুইয়া” প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা ছিল চাক্ষুস দর্শন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের বেলা (মিরাজের সময়) বাইতুল মাক্বদিসে নিয়ে গিয়ে তা (যাবতীয় নিদর্শন) দেখানো হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, “কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত গাঠটি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০) হল যাক্কুম গাছ। সহীহ : বুখারী (৪৭১০)।